দেশের উন্নয়নে রেমিটেন্সের ভূমিকা ২০২৩ । বিদেশি রেমিটেন্সের দেশের অর্থনৈতিক ভূমিকা ও তাৎপর্য

দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার জন্যে রেমিটেন্স ভূমিকা ও গুরুত্ব অনেক বেশি কাজে লাগে

 

রেমিটেন্সে কি?

রেমিটেন্স হল বিদেশ থেকে একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি যে দেশের বাইরে থেকে টাকা পাঠায় অথবা প্রেরণ করে দেয়। এটি প্রায় সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে সম্পন্ন করা হয় এবং কোন প্রকার দস্তখত বা পত্রপত্রিকা প্রয়োজন হয় না।

রেমিটেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে কাজ করে একটি দেশ থেকে অন্য দেশে টাকা পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি বা পারিবারিক সদস্য তাদের দেশে অর্থ পাঠাতে পারে যার মাধ্যমে তাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়। সাধারণত বিদেশে কাজ করা ব্যক্তিরা তাদের কাজের মাসিক বেতন অথবা প্রাপ্তি একটি বিদেশী ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে থাকেন যেখান থেকে তারা তাদের দেশে টাকা পাঠানোর জন্য রেমিটেন্স সেবা ব্যবহার করতে পারেন।

রেমিটেন্সে দেশের অর্থনৈতিক কি কাজে লাগে 

রেমিটেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উপাদান হিসাবে কাজ করে একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে। এর মাধ্যমে প্রধানতঃ দুইটি কাজ হয়:

১। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করা: রেমিটেন্স দেশে আসা টাকা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা উন্নয়নশীল প্রকল্পে নির্মাণ করতে পারে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, রেমিটেন্স দেশে প্রবেশ করা অর্থও পণ্য এবং পরিষেবার খরচ বা নির্মাণে ব্যবহৃত হতে পারে যা স্থানীয় পণ্য এবং পরিষেবার ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২। ব্যক্তিগত উন্নয়ন: রেমিটেন্স দেশে আসা টাকা ব্যক্তিগত উন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে পাঠক বা তার পরিবার সদস্যরা বিদেশে কাজ করতে পারেন এবং সেখান থেকে আসে।

রেমিটেন্সে দেশের অর্থনৈতিক কি কাজে লাগে

রেমিটেন্স দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে প্রধানতঃ দুইটি উদ্দেশ্য সম্পন্ন হয়:

১। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করা: রেমিটেন্স দেশে আসা টাকা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা উন্নয়নশীল প্রকল্পে নির্মাণ করতে পারে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, রেমিটেন্স দেশে প্রবেশ করা অর্থও পণ্য এবং পরিষেবার খরচ বা নির্মাণে ব্যবহৃত হতে পারে যা স্থানীয় পণ্য এবং পরিষেবার ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২। ব্যক্তিগত উন্নয়ন: রেমিটেন্স দেশে আসা টাকা ব্যক্তিগত উন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে পাঠক বা তার পরিবার সদস্যরা বিদেশে কাজ করতে পারেন এবং সেখান থেকে আসা টাকার মাধ্য কাজ করে।

 

রেমিটেন্সে দেশের অর্থনৈতিক কাজে লাগে। এর দুইটি উদ্দেশ্য

রেমিটেন্স দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে প্রধানতঃ দুইটি উদ্দেশ্য সম্পন্ন হয়:

১। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করা: রেমিটেন্স দেশে আসা টাকা বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা উন্নয়নশীল প্রকল্পে নির্মাণ করতে পারে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, রেমিটেন্স দেশে প্রবেশ করা অর্থও পণ্য এবং পরিষেবার খরচ বা নির্মাণে ব্যবহৃত হতে পারে যা স্থানীয় পণ্য এবং পরিষেবার ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।

অথনৈতিকে রেমিটেন্স হলো স্থানান্তর করে অর্থ পাঠানোর একটি উপযোগী উপায়। প্রধানতঃ দেশের বেকারত্ব কমানো, আর্থিক উন্নয়ন ও পারদর্শিতা বৃদ্ধি করা এবং দেশের উপকারে পরিণত করা হয়।

অথনৈতিকে রেমিটেন্সের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিম্নরূপঃ

১. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা: অনেক দেশে রেমিটেন্স দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উদ্যোগ হিসাবে বিবেচিত হয়। রেমিটেন্স দেশের অর্থনৈতিক পারদর্শিতা বৃদ্ধি করে এবং দেশের বেকারত্ব কমাতে সহায়তা করে।

২. পরিবারের জীবনযাপনে ভূমিকা: রেমিটেন্স পাঠানোর মাধ্যমে বিদেশে কাজ করা মানুষদের দাম্পত্য ও পরিবার জীবনযাপন উন্নয়নে সহায়তা করে।

অথনৈতিকে  রেমিটেন্সে ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কি কি

রেমিটেন্স এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি

রেমিটেন্সের বাংলাদেশের অর্থনীতি

রেমিটেন্স হল একটি প্রধান উৎস যা বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বাংলাদেশে প্রতি বছর দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ লোক বিদেশে কাজ করছেন এবং তাদের কিছুটা অর্থসামগ্রী পরিবহন করা হল দেশের ব্যাংক হিসাবে বা অন্য রাজনৈতিক ও প্রাণিজন মূল্য দ্বারা প্রেরিত হয়। বাংলাদেশের কয়েকটি উদ্যোক্তারা এই ক্ষেত্রে প্রধান হলেও কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রেমিটেন্স সেবা প্রদান করে।

রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর ব্যবহার দ্বারা একটি শক্তিশালী বাণিজ্যিক মাধ্যম তৈরি করা হয়েছে। রেমিটেন্স কে অর্থনীতির দুই উপাদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসাব করা হয়ে থাকে: টাকা প্রবাহ এবং সম্পদ বিনিময়।

মিটেন্সের ডলারে হিসাব 

নিম্নলিখিত টেবিলটি রেমিটেন্স সংক্রান্ত কিছু প্রধান তথ্য উল্লেখ করে তৈরি করা হয়েছে।

বছর মোট রেমিটেন্স (বিলিটাস) মোট রেমিটেন্স (নিরবধি) বিলিটাস এর মাধ্যমে রেমিটেন্সের বৃদ্ধি নিরবধি এর মাধ্যমে রেমিটেন্সের বৃদ্ধি

2015 $601 বিলিয়ন $440 বিলিয়ন 1.1% 7.9%

2016 $627 বিলিয়ন $444 বিলিয়ন 4.3% 1.4%

2017 $693 বিলিয়ন $483 বিলিয়ন 10.5% 8.1%

2018 $689 বিলিয়ন $483 বিলিয়ন -0.6% 0.0%

2019 $737 বিলিয়ন $508 বিলিয়ন 7.0% 5.3%

2020 $769 বিলিয়ন $540 বিলিয়ন 4.3% 6.3%

উপরের টেবিলে প্রদর্শিত হচ্ছে যে মানুষরা বিভিন্ন দেশ হতে তাদের পরিবারের জন্য।

রেমিটেন্সের টেবিল

প্রবাসের রেমিটেন্সে টেবিল

প্রবাসের রেমিটেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্থান যা প্রবাসী কর্মসংস্থান থেকে স্থানীয় মুদ্রার পরিবর্তে পরিবহন করে। এই টেবিলে আমি সর্বশেষ ১২ মাসের জন্য প্রবাসের মূল মার্কেটগুলি উল্লেখ করেছি যেখান থেকে রেমিটেন্স সংগ্রহ হয়। এছাড়াও, একটি বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রেমিটেন্স ডেটা বোর্ডও উল্লেখ করা হয়েছে যা সাধারণত ২-৩ মাস পিছনের তথ্য দেখায়।

মাসগুলি নাম মোট রেমিটেন্স (বিলিয়ন ডলার)

মার্চ ২০২২ ৬০.৩

ফেব্রুয়ারি ২০২২ ৫৪.৫

জানুয়ারি ২০২২ ৫৫.১

ডিসেম্বর ২০২১ ৫৩.৮

নভেম্বর ২০২১ ৫৮.০

অক্টোবর ২০২১ ৫৫.৪

সেপ্টেম্বর ২০২১ ৫৭.১

আগস্ট ২০২১ ৫৮.৫

জুলাই ২০২১ ৫৮.৫

জুন ২০২১ ৫৬.৯

মে ২০২১ ৫৬.৬

রেমিটেন্সে এই ভাবে দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার এবং বেকাররক্ত দূর করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *