নরমাল ডেলিভারির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ২০২৪ । গর্ভকালে মায়ের আচরণ সন্তানের উপর কি রকম প্রভাব ফেলে?

নরমাল ডেলিভারির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ২০২৪

সূচীপত্র

 

নরমাল ডেলিভারির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস ২০২৪। গর্ভকালে মায়ের আচরণ সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে কি? নরমাল ডেলিভারি সব মেয়েরাই চায়।কিন্তু বর্তমানে সিজার জিনিসটা বেশি হয়ে যাচ্ছে। আজকে গর্ভবতি নারীদের নরমাল ডেলিভারির কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করব। গর্ভবতী হলে বুঝায় যে একজন মহিলা এখন গর্ভবতী এবং তার গর্ভধারণ হয়েছে।

এটি মাত্র মহিলার শরীরে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থান নেয় যখন একটি পুরুষের স্পের্ম মহিলার ডিম্বার জন্যপৌঁছে যায় এবং তার একটি অংশ মহিলার ডিম্বার সঙ্গে মিলে যায়। গর্ভবতী হওয়ার পর মহিলার শরীর পরিবর্তন হয় এবং তার প্রতিরোধ সম্পন্ন একটি প্রক্রিয়া শুরু হয় যাতে তার শিশুকে উত্তম স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি দেওয়া হয়। গর্ভবতী মহিলাদের যত্ন নেওয়া উচিত এবং তারা নিয়মিত চেকআপ করে তাদের শিশুকে সুরক্ষা দিতে পারেন।

১। ইবাদত বন্দেগী করুন- নামাজ-কালাম, দরুদ শরীফ পাঠ , ইবাদত বন্দেগী করুন।

২। বদ অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন- তামাক সেবন, রাত জাগা/রাত জেগে টিভি দেখা ত্যাগ করুন।

৩। ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন- যদি আপনার ব্যায়াম করার অভ্যাস না থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় শুরু করুন কোন অজুহাত না দেখিয়ে। প্রসবের চাপ সহ্য করার জন্য শ্রোণি অঞ্চলের পেশী ও উরুর পেশীকে শক্তিশালী করার জন্য ব্যায়াম করুন। কীভাবে এই ব্যায়াম করতে হয় তা জানতে আপনার চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

৪। চিন্তামুক্ত থাকুন- প্রসবের সময় স্ট্রেস অনুভব করলে অক্সিটোসিন হরমোনের উৎপাদন কমে যায়। এই হরমোনটি প্রসবের সময় সংকোচন ঘটায়। স্ট্রেসের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে প্রসব দীর্ঘায়িত হয়। তাই স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।

৫। নরমাল ডেলিভারির অহেতুক ঘটনা শোনা এড়িয়ে চলুন- অনেক নারীই হবু মায়েদের প্রসবের ঘটনা বলতে পছন্দ করেন। নেতিবাচক গল্প প্রসবের সময় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ ধরণের গালগল্প শোনা থেকে বিরত থাকুন।

৬। সঠিক খাবার খান- পুষ্টিকর খাবার খাওয়া আপনাকে সুস্থ রাখতে ও শক্তিশালী করতে এবং শিশুর বৃদ্ধি ও গঠনের উন্নতিতে সাহায্য করে। একজন সুস্থ মায়ের স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৭।হাঁটুন- প্রেগনেন্সির সময়টাতে হাঁটুন। আপনার পক্ষে যদি অনেকক্ষণ হাঁটা সম্ভব না হয় তাহলে অল্প দূরত্বে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হাঁটুন।

৮। খেজুর, মধু,বাদাম খান- গর্ভবতী মায়েরা প্রতিদিন খেজুর,মধু ও বাদাম খান। বিশেষ করে ৯ মাসের গর্ভবতী মায়েরা দিনে কমপক্ষে ৬টি করে খেজুর, অল্প মধু ও ১ কাপ পরিমান বাদাম খান।সর্বোপরি সহি নিয়ত করে আল্লাহ পাকের সাহায্য কামনা করুন।

 

বাচ্চা নরমাল ডেলিভারী কিছু পদ্ধতি আছে সে গুলো কি?

বাচ্চা নরমাল ডেলিভারী কিছু পদ্ধতি, নরমাল ডেলিভারি পদ্ধতি হল স্বাভাবিক জন্মান্তরের পদ্ধতি, যেখানে মা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিশুটি জন্ম দেয়। নরমাল ডেলিভারির সময় মা শিশুর সাথে অবশ্যই একজন তথ্য ও দক্ষ দায়িত্বশীল জননী পরিচর্যককে নিয়ে যায়। নরমাল ডেলিভারি পদ্ধতি সাধারণত মেয়েদের জন্য ৩৭ সপ্তাহ এবং ছেলেদের জন্য ৩৯ সপ্তাহের মধ্যে হয়। এই সময়কালে মা নিজেকে পুরুষস্থান স্থাপন করতে শুরু করে, যা মধ্যে মায়ের গর্ভাশয়ের মাথায় পানি ভরে যায়। এরপর মা শিশুটির জন্য জননী পরিচর্যককে কল করে তার সহায়তায় জন্ম দেয়। শিশু জন্মানোর সময় মা উপরে লেটে থাকেন এবং পায়ে দুটি বাঁকা করে নিচে নেমে রক্তচলচ্ছন্ন নেত্র দ্বারা দেখা যায়। প্রথমে শিশুর শিরস্থান থেকে পানি চলে আসে এবং শিশুর জন্ম হয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *