জমি-জমা সংক্রান্ত Archives - Tricksboss https://tricksboss.com/category/জমি-জমা-সংক্রান্ত-বিষয়/ The Ultimate Solution-NID, BDRIS, TECH TIPS Sun, 29 Mar 2026 01:28:37 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://tricksboss.com/wp-content/uploads/2023/11/cropped-favicon-1-32x32.png জমি-জমা সংক্রান্ত Archives - Tricksboss https://tricksboss.com/category/জমি-জমা-সংক্রান্ত-বিষয়/ 32 32 ভূমি পরিমাপের সঠিক হিসাব: একর, বিঘা ও শতাংশের সহজ গাইড https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac/ https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac/#respond Sun, 29 Mar 2026 01:28:37 +0000 https://tricksboss.com/?p=11360 বাংলাদেশে জমি কেনাবেচা বা মালিকানা স্বত্বের ক্ষেত্রে

The post ভূমি পরিমাপের সঠিক হিসাব: একর, বিঘা ও শতাংশের সহজ গাইড appeared first on Tricksboss.

]]>
বাংলাদেশে জমি কেনাবেচা বা মালিকানা স্বত্বের ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ জানা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত গ্রাম বা শহর অঞ্চলে বিঘা বা কাঠার মাপে ভিন্নতা থাকলেও সরকারি ও আন্তর্জাতিকভাবে ‘একর’ এবং ‘শতাংশ’ (শতক) পরিমাপকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরা হয়।

১ একর জমি মানে কতটুকু? অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, ১ একর কি ৩ বিঘার সমান নাকি তার চেয়ে বেশি? স্ট্যান্ডার্ড হিসাব অনুযায়ী, ১ একর জমি ৩.০৩ বিঘার সমান। অর্থাৎ ৩ বিঘার চেয়ে কিছুটা বেশি জমি নিয়ে ১ একর গঠিত হয়।

বিঘা ও শতাংশের সম্পর্ক: অঞ্চলভেদে বিঘার মাপ দুই ধরনের হয়ে থাকে: ১. ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা: এটি বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ও স্ট্যান্ডার্ড বিঘা। এই হিসেবে ১ কাঠা সমান প্রায় ১.৬৫ শতাংশ বা ৭২১.৭৬ বর্গফুট। ২. ৩০ শতাংশে ১ বিঘা: কিছু কিছু অঞ্চলে ৩০ শতাংশকেও এক বিঘা ধরা হয়। সেক্ষেত্রে ১ কাঠা সমান ১.৫০ শতাংশ বা ৬৫৩.৪০ বর্গফুট।

ভূমি পরিমাপের বিভিন্ন একক (একনজরে):

  • ১ শতাংশ (শতক): ৪৩৫.৬০ বর্গফুট / ৪৮.৪০ বর্গগজ / ৪০.৪৬ বর্গমিটার / ১৯৩.৬০ বর্গহাত / ১০০০ বর্গলিঙ্ক।

  • ১ একর: ৬০.৬০ কাঠা / ৩.০৩ বিঘা / ৪৩,৫৬০ বর্গফুট / ৪৮৪০ বর্গগজ / ৪০৪৬ বর্গমিটার।

  • ১ হেক্টর: ২.৪৭ একর।

  • ১ কাঠা: স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে (৩৩ শতাংশের বিঘায়) ৭২১.৭৬ বর্গফুট।

কেন এই হিসাব জানা জরুরি? জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি (মিউটেশন) এবং খাজনা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি নথিপত্রে একর ও শতাংশের হিসাব ব্যবহার করা হয়। আপনি যদি ১ একর জমি কেনেন, তবে নিশ্চিত করুন যেন দলিলে ১০০ শতাংশ বা ৪৩,৫৬০ বর্গফুট জমি উল্লেখ থাকে।

অঞ্চলভেদে বিঘা বা কাঠার মাপে পরিবর্তন আসলেও বর্গফুট বা শতাংশের মাপ কখনোই বদলায় না। তাই জমি কেনার আগে দলিলে উল্লিখিত শতাংশের হিসাবটি ভালো করে যাচাই করে নিন, যাতে কেউ আপনাকে ঠকাতে না পারে। সঠিক তথ্য ও পরিমাপ জানা থাকলে আপনার ভূমির মালিকানা থাকবে সুরক্ষিত।

The post ভূমি পরিমাপের সঠিক হিসাব: একর, বিঘা ও শতাংশের সহজ গাইড appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac/feed/ 0
নতুন দলিল ও পুরাতন দলিল ২০২৬ । পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত নাম এবং নতুন দলিলের ব্যবহৃত নামের পার্থক্য?  https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a5%a4-%e0%a6%aa/ https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a5%a4-%e0%a6%aa/#respond Wed, 04 Mar 2026 03:14:22 +0000 https://tricksboss.com/?p=3158 বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় সময়ের সাথে সাথে দলিলে

The post নতুন দলিল ও পুরাতন দলিল ২০২৬ । পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত নাম এবং নতুন দলিলের ব্যবহৃত নামের পার্থক্য?  appeared first on Tricksboss.

]]>
বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় সময়ের সাথে সাথে দলিলে ব্যবহৃত পরিভাষা এবং তথ্যের ধরনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে ডিজিটালাইজেশনের প্রভাবে পুরাতন এবং নতুন দলিলের মধ্যে ভাষাগত ও কাঠামোগত কিছু মৌলিক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।

আপনার বোঝার সুবিধার্থে নিচে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:

১. দাতা ও গ্রহীতার পরিচয় (Identity)

  • পুরাতন দলিল: আগে শুধুমাত্র নাম, পিতার নাম এবং গ্রামের ঠিকানা ব্যবহার করা হতো। অনেক ক্ষেত্রে নামের বানান বা পদবিতে অস্পষ্টতা থাকতো।

  • নতুন দলিল (২০২৬): এখন দাতা ও গ্রহীতার নামের সাথে বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর যুক্ত থাকে। ফলে নামের বানানে ভুল হওয়ার সুযোগ কমেছে এবং ডাটাবেজে সংরক্ষিত নামের সাথেই এটি মিল রাখা হয়।

২. জমির শ্রেণি ও বিবরণ

  • পুরাতন দলিল: জমির বর্ণনায় আগে ‘হাল’ ও ‘সাবেক’ দাগ নম্বর ব্যবহার করা হতো। পরিভাষাগুলো ছিল অনেকটা হাতে লেখা এবং জটিল (যেমন: কড়চা, বাটা দাগ ইত্যাদি)।

  • নতুন দলিল: বর্তমানে স্মার্ট ভূমি রেকর্ড অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে বিএস (BS) বা বিআরএস (BRS) দাগ ও খতিয়ান উল্লেখ করা হয়। এখানে ব্যবহৃত পরিভাষাগুলো অনেক বেশি আধুনিক এবং সহজবোধ্য।

৩. পর্চা ও নকশার রেফারেন্স

  • পুরাতন দলিল: দলিলের ভেতর হাতে আঁকা চৌহদ্দি বা ম্যাপ থাকতো, যা অনেক সময় নির্ভুল হতো না।

  • নতুন দলিল: নতুন দলিলে কিউআর কোড (QR Code) এবং অনলাইন মৌজা ম্যাপের রেফারেন্স থাকে। ফলে দলিলে উল্লিখিত নাম ও জমির দাগ সরাসরি সরকারি সার্ভারের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়।

৪. ভাষাগত পার্থক্য (Terminology)

পুরাতন দলিলে কিছু বিশেষ ফারসি বা মুঘল আমলের শব্দ ব্যবহৃত হতো যা এখনকার দলিলে কমে আসছে। যেমন:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত শব্দ বর্তমান বা নতুন দলিলে ব্যবহার
আং (আন্দাজ) মোট জমির অংশ বা পরিমাণ
দং (দখলকার) বর্তমান দখলদার বা মালিক
পিং (পিতা) পিতা
জং (স্বামী) স্বামী
সাং (সাকিন) গ্রাম বা ঠিকানা

৫. ডিজিটাল এন্ট্রি ও নামজারি (Mutation)

পুরাতন দলিলের ক্ষেত্রে নামজারির জন্য আলাদাভাবে অনেক দৌড়ঝাঁপ করতে হতো এবং দলিলের নাম ও খতিয়ানের নামে গরমিল থাকলে তা সংশোধন করা কঠিন ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের নতুন ব্যবস্থায় দলিল হওয়ার সাথে সাথেই অটো-মিউটেশন বা স্বয়ংক্রিয় নামজারির প্রক্রিয়া শুরু হয়, ফলে দলিলে ব্যবহৃত নাম সরাসরি খতিয়ানে যুক্ত হয়ে যায়।


সতর্কতা:

আপনার যদি কোনো পুরাতন দলিলে নামের বানান ভুল থাকে এবং তা নতুন দলিলে সংশোধন করতে চান, তবে অবশ্যই একটি ‘ভ্রম সংশোধন’ (Error Correction) দলিল বা হলফনামার মাধ্যমে তা আইনিভাবে ঠিক করে নেওয়া উচিত।

পুরাতন দলিল ও নতুন দলিলের নামের পাথক্য   

পুরাতন দলিল ও নতুন দলিলের পরিচিতি 

১) মৌজা বা গ্রাম।

২) জে.এল নং বা মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩) ফর্দ বা দলিলের পাতা।

৪) খং বা খতিয়ান।

৫) সাবেক বা আগের/পূর্বের বুজায়

৬) হাল বা বর্তমান।

৭) বং বা বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।

৮) নিং বা নিরক্ষর।

৯) গং বা আরো অংশীদার আছে।

১০) সাং বা সাকিন/গ্রাম।

১১) তঞ্চকতা বা প্রতারণা।

১২) সনাক্তকারী বা যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩) এজমালী বা যৌথ।

১৪) মুসাবিদা বা দলিল লেখক।

১৫) পর্চা বা বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬) বাস্তু বা বসত ভিটা।

১৭) বাটোয়ারা বা বন্টন।

১৮) বায়া বা বিক্রেতা।

১৯) মং বা মবলগ/মোট

২০) মবলক বা মোট।

২১) এওয়াজ  বা সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।

২২) হিস্যা বা অংশ।

২৩) একুনে বা যোগফল।

২৪) জরিপ বা পরিমাণ।

২৫) এজমালী বা কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।

২৬) চৌহদ্দি বা সীমানা।

২৭) সিট বা নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।

২৮) দাখিলা বা খাজনার রশিদ।

২৯) নক্সা বা ম্যাপ।

৩০) নল বা জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১) নাল বা চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২) পিং বা পিতা।

৩৩) জং  বা স্বামী।

৩৪) দাগ নং বা জমির নম্বর।

৩৫) এতদ্বার্থে বা এতকিছুর পর।

৩৬) স্বজ্ঞানে বা নিজের বুঝ মতে।

৩৭) সমূদয় বা সব কিছু।

৩৮) ইয়াদিকৃত বা পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

৩৯) পত্র মিদং বা পত্রের মাধ্যমে।

৪০) বিং বা বিস্তারিত।

৪১) দং বা দখলকার।

৪২) পত্তন বা সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩) বদল সূত্র বা এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪) মৌকুফ বা মাপ।

৪৫) দিশারী রেখা বা দিকনির্দেশনা।

৪৬) হেবা বিল এওয়াজ বা কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭) বাটা দাগ বা কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮) অধুনা বা বর্তমান।

৪৯) রোক বা নগদ।

৫০) ভায়া বা বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১) দান সূত্র বা কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।

৫২) দাখিল খারিজ বা কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩) তফসিল বা তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪) খারিজ বা যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।

৫৫) খতিয়ান বা প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান  বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬) জরিপ বা সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭) এওয়াজ সূত্র বা সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮) অছিয়তনামা বা যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯) তফসিল বা বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০) নামজারী বা অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২) আলামত বা ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩) আমলনামা বা কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস  খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।

৬৪) আসলি বা মূল ভূমি।

৬৫) আধি বা উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।

৬৬) ইজারা বা ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।

৬৭) ইয়াদদন্ত বা স্মারকলিপি।

৬৮) ইন্তেহার বা ঘোষণাপত্র।

৬৯) এস্টেট বা ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০) ওয়াকফ বা ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১) কিত্তা বা চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২) কিস্তোয়ার জরিপ বা গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩) কিস্তি বা নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব বা চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫) কবুলিয়ত বা মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬) কটকোবালা বা সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত- যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭) কান্দা বা উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।

৭৮) কিসমত বা মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯) কোলা ভূমি বা বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।

৮০) কোল বা নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১) খানাপুরী বা প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২) খামার বা ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩) খাইখন্দক বা ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪) খিরাজ বা কর, খাজনা।

৮৫) খানে খোদা মসজিদ।

৮৬) খসড়া জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭) গর বন্দোবস্তি যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।

৮৮) গরলায়েক পতিত খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।

৮৯) গির্বি বন্ধক।

৯০) চক বা থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১) জমা বন্দী বা খাজনার তালিকা।

৯২) চাকরাণ বা জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩) চাঁদা বা জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।

৯৪) চটান বা বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।

৯৫) চালা বা উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬) চর বা পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭) জবর-দখল বা জোরপূর্বক দখল।

৯৮) জমা বা এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯) জোত বা এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০) জজিরা বা নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১) জায়সুদী বা হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২) জালি বা এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।

১০৩) টেক বা নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪) টাভার্স বা ঘের জরিপ।

১০৫) ঠিকা রায়ত বা নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬) ঢোল সহরত বা কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭) তামিল বা আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।

১০৮) তামাদি বা খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯) তুদাবন্দী বা সীমানা নির্দেশ।

১১০) তহশিল বা খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১) তলবানা বা সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।

১১২) তলববাকী বা বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩) তালুক বা  নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪) তরমিম শুদ্ধকরণ।

১১৫) তরতিব বা শৃংখলা।

১১৬) তৌজি বা ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।

১১৭) দিয়ারা বা পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮) দর পত্তনী বা পত্তনীর অধীন।

১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা বা দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০) দশসালা বন্দোবস্ত বা দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১) দিয়ারা বা পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২) দাগ নম্বর বা মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।

১২৩) দরবস্ত বা সমুদয়।

১২৪) নথি বা রেকর্ড।

১২৫) দেবোত্তর বা দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬) দেবিচর বা যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭) দিঘলি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।

১২৮) নক্সা ভাওড়ন বা পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার  নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯) নামজারী বা ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।

১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ বা ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।

The post নতুন দলিল ও পুরাতন দলিল ২০২৬ । পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত নাম এবং নতুন দলিলের ব্যবহৃত নামের পার্থক্য?  appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a5%a4-%e0%a6%aa/feed/ 0
ভূমি উন্নয়ন কর ২০২৬ । অনলাইনে খতিয়ান যুক্ত করার ৭ দিনের মধ্যে নিবন্ধন? https://tricksboss.com/ld-tax-registration-approval-within-7-days/ https://tricksboss.com/ld-tax-registration-approval-within-7-days/#respond Mon, 02 Mar 2026 00:08:34 +0000 https://tricksboss.com/?p=2404 অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধে ভূমি অফিসে যেতে

The post ভূমি উন্নয়ন কর ২০২৬ । অনলাইনে খতিয়ান যুক্ত করার ৭ দিনের মধ্যে নিবন্ধন? appeared first on Tricksboss.

]]>

অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধে ভূমি অফিসে যেতে হবে না- তথ্য দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে ইউজার অনুমোদন করতে হবে- অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর ২০২৬

অনলাইনে ভূমি কর কবে থেকে কার্যকর? – পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ হতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কার্যক্রমকে অধিকতর জনবান্ধব এবং ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেমকে পুরোপুরি অনলাইন করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৩০ জুন ২০১৫ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৩১.০০,০০০০,088,39.025.15-99 এর পরিপূরক হিসেবে  নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে নাগরিক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে করণীয় কি? একজন ভূমি মালিক নাগরিক নিবন্ধন করে খতিয়ান যুক্ত করার সর্বোচ্চ ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নিজ দাপ্তরিক আই.ডি. থেকে উক্ত হোল্ডিং যাচাই ও সমন্বয়পূর্বক অনুমোদন করবেন। এর ব্যত্যয় হলে তা অদক্ষতা হিসেবে গণ্য করা হবে। নাবালক বা প্রবাসী ভূমি মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাদের নাগরিক নিবন্ধনে নাবালক বা প্রবাসীর জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্ট দিয়ে নাগরিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে হবে। নাবালক বা প্রবাসীর আইনানুগ অভিভাবক বা প্রতিনিধির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের ব্যবস্থা করবেন। খতিয়ানের রেকর্ডায় মালিকের নাম জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল না থাকা এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে রেকর্ডে স্বামীর নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম ইত্যাদি কারণে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের আবেদন বাতিল করা যাবে না।

যে কেউ কর পরিশোধ করতে পারবে? হ্যাঁ কিন্তু মালিকের নামে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা হবে।  শুধু হোল্ডিংধারী ভূমি মালিকের নামে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করতে হবে। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধকারী বা ভাড়াটিয়ার নাম দাখিলায় যুক্ত করা যাবে না। ব্যক্তির ক্ষেত্রে আংশিক ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কালে যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে কোন একজন মালিক নিজ অংশের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে চাইলে নামজারির (মিউটেশন) মাধ্যমে আলাদা হোল্ডিং তৈরি করতে হবে।

ইউজার অনুমোদনে ভূমি অফিসে যেতে হবে না / অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধ করুন

নিষ্কর ও ইকোনোমিক জোনের ভূমি উন্নয়ন কর বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এতৎসংক্রান্ত নির্দেশনাসমূহ যাচাইয়ের মাধ্যমে নিষ্কর এলাকা নির্ধারণ করবেন। নিষ্কর হোল্ডিং এর ক্ষেত্রে প্রতি বছর ১০ (দশ) টাকা দিয়ে মওকুফ দাখিলা নিতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইন দাখিলায় ‘অনুমোদিত মওকুফ’ লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করার নিয়ম ২০২২ । বিকাশ বা রকেটে ভূমি কর পরিশোধ করুন

Caption: https://ldtax.gov.bd/citizen/payment

সংস্থার ক্ষেত্রে আংশিক ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ২০২৬ । ভূমি কর মওকুফ দাখিলার নিয়ম কি?

  1. সংস্থার ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর বছরভিত্তিক আংশিক আদায় করা যাবে। আংশিক আদায়ের পর বকেয়া থাকলে ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেমে বকেয়া দাবি প্রদর্শিত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর কোনক্রমেই মাসভিত্তিক আদায় করা যাবে না।
  2. ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির ক্ষেত্রে হোল্ডিং প্রতি ১০ (দশ) টাকার মওকুফ দাখিলা প্রতি বছর একবারই আদায়যোগ্য হবে। এক্ষেত্রে হোল্ডিং-এ একাধিক অংশীদার থাকলে প্রত্যেকে আলাদা আলাদাভাবে ১০ (দশ) টাকার মওকুফ দাখিলা সংগ্রহ করতে পারবেন।
  3. কৃষিজমির অবিভক্ত খতিয়ান বা হোল্ডিং ২৫ বিঘার ঊর্ধ্বে হওয়া সত্ত্বেও অংশীদারদের প্রত্যেকের অংশ আলাদা করে বিবেচনা করা যাবে না। কোন অংশীদার নিজের অংশ আলাদা করতে চাইলে স্বীয় নামে হোল্ডিং খুলে মওকুফ দাখিলা সংগ্রহ করবেন।
  4. পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ (১৪ এপ্রিল ২০২৩) তারিখ হতে ০৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে সকল ভূমি অফিসে সংরক্ষিত অব্যবহৃত ও আংশিক ব্যবহৃত সকল দাখিলা বহি প্রত্যাহার করে কালেক্টর জেলা ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করবেন এবং এর বিবরণী ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবেন।
  5. পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ (১৪ এপ্রিল ২০২৩) থেকে শতভাগ অনলাইনে আদায়ের স্বার্থে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাপ্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর সিস্টেমে ধাপ ও অঞ্চল নির্ধারণ করে প্রত্যেকটি হোল্ডিং-এর দাবি এবং মৌজাভিত্তিক দাবি শতভাগ অনলাইনে এন্ট্রি দিবেন।
  6.  জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অগ্রিম ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা যাবে কি?

কোন ভূমি মালিক ইচ্ছে করলে বকেয়া ও হাল সনের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার পর পরবর্তী তিন বছরের ভূমি উন্নয়ন কর অগ্রিম প্রদান করতে পারবেন। পরিশোধিত অগ্রিমের মেয়াদের মধ্যে ভূমি ব্যবহারের ধরণে পরিবর্তন বা সরকারি নির্দেশনার কারণে ভূমি উন্নয়ন করের দাবি বেড়ে গেলে বর্ধিত হারে ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া হিসেবে আদায়যোগ্য হবে। একই হোল্ডিং-এ হাল সন পর্যন্ত বা একাধিক বছরের অগ্রিম ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধিত থাকা অবস্থায় আংশিক হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারসূত্রে নামজারি (মিউটেশন) হলে নতুন হোল্ডিংধারী হোল্ডিং গ্রহণের তারিখ থেকে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করবেন।

অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায় পদ্ধতি সংক্রান্ত নির্দেশনা: ডাউনলোড

অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করার নিয়ম ২০২৩ । বিকাশ বা রকেটে ভূমি কর পরিশোধ করুন

The post ভূমি উন্নয়ন কর ২০২৬ । অনলাইনে খতিয়ান যুক্ত করার ৭ দিনের মধ্যে নিবন্ধন? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/ld-tax-registration-approval-within-7-days/feed/ 0
আধুনিক দলিল লেখার নিয়ম ২০২৬ । দলিল লেখার ফরম্যাট কোথায় পাবেন জানুন https://tricksboss.com/dolil-writing-format/ https://tricksboss.com/dolil-writing-format/#respond Sat, 28 Feb 2026 19:24:41 +0000 https://tricksboss.com/?p=1100 দলিল হচ্ছে জমির মালিকানা প্রমাণের একমাত্র মাধ্যম।

The post আধুনিক দলিল লেখার নিয়ম ২০২৬ । দলিল লেখার ফরম্যাট কোথায় পাবেন জানুন appeared first on Tricksboss.

]]>
দলিল হচ্ছে জমির মালিকানা প্রমাণের একমাত্র মাধ্যম। তাই জমির দলিল করার সময় দলিলে যেন কোন রকম ভুল ত্রুটি না থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে কম্পিউটারে টাইপ করে দলিল লেখা হয়। এতে ভুল ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আজকে আমরা আধুনিক পদ্ধতিতে দলিল লেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করবো। দলিল নমুনা ফরম ২০২৬ । সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল Word Format সংগ্রহ করুন।

একটি আধুনিক দলিলের নমুনা

শিরোনাম : সাফ কবলা দলিল

বিক্রিত জমি : ২০ (বিশ) শতাংশ

বিক্রিত জমির মূল্য : ৬,৫০.০০০/= ( ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

পক্ষ পরিচয়

১ম পক্ষ : জনাব মোঃ আতিকুর রহমান, পিতা : মোঃ তারিকুর রহমান, মাতা- আমেনা বেগম, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বব: ……………………… সাকিন : গড়াশিন, উপজেলা : টাংগাইল সদর, জেলা- টাংগাইল, জাতীয়তা : বাংলাদেশী, ধর্ম : ইসলাম, পেশা : ব্যবসা…….দলিল গ্রহীতা।

২য় পক্ষ : জনাব মোঃ নাজমুল হোসেন, পিতা : মোঃ ইউনুস আলী, মাতা: মমতা বেগম, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর: ………………. সাকিন : দাইন্যা শিবপুর, উপজেলা : টাংগাইল সদর, জেলা- টাংগাইল, জাতীয়তা : বাংলাদেশী,  ধর্ম : ইসলাম, পেশা : চাকুরী……….দলিল দাতা।

স্বত্বের বর্ণনা : পরম করুণাময় আল্লাহর নাম স্মরণ রেখে অত্র বিক্রয় দলিলের বর্ণনা শুরু করছি। নিম্ন তফসিল বর্ণিত ২০ (বিশ) শতাংশ জমির সি.এস রেকর্ডীয় মালিক মৃত বশির আহমেদের পুত্র এবং এম. এম. ট্রেডিং এর মালিক জাকারিয়ার নিকট হতে আমি অত্র দলিল দাতা বিগত ১৯/৩/২০১৫ ইং তারিখে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ১ নং বহির ১০ নং ভলিউমের ২১০-২৪০ পৃষ্ঠায় লিখিত…. নং সাফ কবলা দলিল মূলে প্রাপ্ত হয়েছি। উক্ত জমি নামজারী মূলে আমার নিজ নামে ৪২০ নং হোল্ডিং ভুক্ত হয়। যার উন্নয়ন কর হাল সন পর্যন্ত আমি পরিশোধ করে নির্বিবাদে ভোগ দখল করছি।

বিক্রয় বর্ণনা : নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমি আমি সাফ বিক্রির ঘোষণা করলে আপনি দলিল গ্রহীতা তা ক্রয় করতে ইচ্ছুক হওয়ার পরস্পর আলোচনান্তে জমির বর্তমান বাজার যাচাইয়ের সর্বোচ্চ মূল্য মং ৬,৫০,০০০/- (ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা সাব্যস্ত করতঃ সাব্যস্তকৃত সাকুল্য টাকা অদ্য হাজিরান মজলিসের সামনে নগদ বুঝে পেয়ে ও নিয়ে অত্র সাফ বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও কটিয়াদী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দাখিল দিয়ে আমি দলিল দাতা চিরতরে নিঃস্বত্ববান হলাম এবং বিক্রিত জমির দখল অদ্যই আপনার নিকট বুঝিয়া দিলাম।অদ্য হতে এ দলিল বিক্রিত জমিতে আমার যাবতীয় স্বত্বে স্বত্ববান ও মালিক দখলদার নিয়ত থেকে আমার নামের খারিজে আপনার নামজারী করতঃ আপনার সদিচ্ছাভাবে আপনি ও আপনার ওয়ারিশগণ বিক্রয়/হস্তান্তরের অধিকারসহ ভোগ দখল করতে থাকুন। এতে আমার বা আমার উত্তরাধিকারীগণের কারো কোনো প্রকার ওজর আপত্তি বা দাবি চলবে না।

নিষ্কণ্টকতার অঙ্গীকার : অত্র দলিলের তফসিলভুক্ত জমি আমি ইতোপূর্বে কারো নিকট দান, উইল, রেহান বা বিক্রি মূলে হস্তান্তর করিনি। কোন ব্যাংক বা কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট দায়বদ্ধ রাখিনি। অন্য কারো নিকট হতে বায়না গ্রহণ করিনি। নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমি আমি সম্পূর্ণ নির্দায়ী, নিষ্কন্টক অবস্থায় আপনার নিকট বিক্রি করিলাম। অত্র দলিলের খতিয়ান দাগ, চৌহদ্দি বয়ানে বা কোন প্রকার ভুল ভ্রান্তিতে আপনার বৈধ স্বত্ব সংরক্ষণে বা যে কোন প্রয়োজনে আমি “ভ্রম সংশোধন দলিল” সম্পাদনসহ সব রকম সহায়তা করবো। এ জমির বিষয়ে ভবিষ্যতে কোন তঞ্চকতা প্রকাশ পেলে আমি আইনত দায়ী থাকবো।

তফসিল বর্ণনাঃ জেলা- টাংগাইল, উপজেলা ও সাব-রেজিষ্ট্রি- টাংগাইল, মৌজাস্থিত ..……. অর্থাৎ দুই দাগে বিক্রিত জমি (১২ + ০৮) = ২০ (বিশ) শতাংশ। বিক্রিত জমির ভৃঃ ইঃ কর তহসিলদার দাইন্যা শিবপুর বরাবরে প্রদেয়।

চৌহদ্দি বর্ণনাঃ বিক্রিত জমির উত্তরে আমেনা, পূর্বে আ: মান্নান, দক্ষিণে, বিক্রেতা করিম ও পশ্চিমে মফিজ উদ্দিন। এ চৌহদ্দির মধ্যে বিক্রিত ২০ (বিশ) শতাংশ জমি।

সম্পাদনাঃ এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে, সুস্থ শরীরে অন্যের বিনা প্ররোচনায় অত্র সাফ কবলা দলিল লিখিয়ে, পাঠ করে ও এর মর্ম অবগত হয়ে সম্পাদন সহি দিলাম।

ইতি
তারিখ বাংলা…….… সনের….……, আষাঢ়, ইংরেজী……..… সনের…….…. জুলাই, সময় সকাল ১০.৩০ মিনিট।
অত্র দলিলে হলফনামাসহ ফর্দ সংখ্যা ৬(ছয়), দলিল কম্পিউটারের টাইপকৃত।
দাতা ১ (এক) জন, গ্রহীতা ১ (এক) জন, সাক্ষী ২ (দুই) জন, সনাক্তকারী ১ (এক) জন।

স্বাক্ষর :
মুসাবিদা কারক নামঃ ……………….……. দাতার নামসহ স্বাক্ষরঃ ………………..…..…, এস. আর. অফিসঃ ……..……….. দলিল লেখার সনদ নং ………. সাক্ষীগণের স্বাক্ষরঃ  (১) ……………………….(২) …………………………
স্পষ্ট অক্ষরে সনাক্তকারীর নাম…………………..……, পিতার নাম…………………… সাকিন…………….।

শেষ কথাঃ দলিল যেহেতু জমির মালিকানা দাবি বহন করে। তাই জমির দলিল শুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয়। বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে দলিল লেখাই সকলের জন্য ভালো।

আধুনিক দলিল লেখার কৌশল ২০২২

The post আধুনিক দলিল লেখার নিয়ম ২০২৬ । দলিল লেখার ফরম্যাট কোথায় পাবেন জানুন appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/dolil-writing-format/feed/ 0
কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল ২০২৬ । কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি ভাবে চিনবেন? https://tricksboss.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf/ https://tricksboss.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf/#respond Thu, 19 Feb 2026 00:20:24 +0000 https://tricksboss.com/?p=3147 বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে ‘কবুলিয়ত’ ও ‘পাট্টা’

The post কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল ২০২৬ । কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি ভাবে চিনবেন? appeared first on Tricksboss.

]]>
বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে ‘কবুলিয়ত’‘পাট্টা’ অত্যন্ত প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ দুটি দলিল। মূলত মুঘল সম্রাট শেরশাহের আমল থেকে এই প্রথা চালু হয়েছিল। বর্তমান ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে এই দলিলগুলোর ব্যবহার সরাসরি না থাকলেও মালিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এদের ইতিহাস জানা জরুরি।

নিচে এই দুটি দলিলের বিস্তারিত পরিচয় ও চেনার উপায় তুলে ধরা হলো:

১. কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি?

  • পাট্টা (Patta): পাট্টা হলো সরকারের পক্ষ থেকে বা জমিদারের পক্ষ থেকে প্রজাকে দেওয়া এক ধরনের স্বীকৃতিপত্র। এতে জমির বর্ণনা, সীমানা এবং ওই জমির জন্য প্রজাকে কত টাকা খাজনা দিতে হবে তার উল্লেখ থাকত। সহজ কথায়, এটি হলো ভূমির ওপর প্রজার অধিকারের দলিল।

  • কবুলিয়ত (Kabuliyat): ‘কবুল’ শব্দ থেকে কবুলিয়ত এসেছে, যার অর্থ গ্রহণ করা বা স্বীকার করা। সরকার বা জমিদারের কাছ থেকে পাট্টা পাওয়ার পর প্রজা বা কৃষক নির্দিষ্ট শর্তে এবং নির্দিষ্ট খাজনা দিতে রাজি হয়ে যে অঙ্গীকারনামা লিখে দিতেন, তাকেই কবুলিয়ত বলে।


২. কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল চেনার উপায়

পুরানো আমলের দলিল বা খতিয়ানে এগুলো শনাক্ত করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করতে হয়:

বৈশিষ্ট্য পাট্টা দলিল (Patta) কবুলিয়ত দলিল (Kabuliyat)
মূল ভূমিকা দাতা (জমিদার/সরকার) কর্তৃক প্রজার অধিকারের স্বীকৃতি। গ্রহীতা (প্রজা/কৃষক) কর্তৃক শর্ত পালনের অঙ্গীকার।
স্বাক্ষর এতে দাতা বা তৎকালীন রাজা/জমিদারের সিল বা স্বাক্ষর থাকে। এতে প্রজা বা কৃষকের টিপ সই বা স্বাক্ষর থাকে।
উদ্দেশ্য প্রজা বা কৃষককে জমির দখল ও ভোগের অনুমতি দেওয়া। প্রজা কর্তৃক নির্দিষ্ট রাজস্ব বা খাজনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া।
ভাষা ও শব্দ “এতদ্দ্বারা স্বত্ব প্রদান করা হইল” বা অনুরূপ স্বীকৃতির ভাষা। “আমি এই শর্তে কবুল করিলাম” বা “এতদ্দ্বারা অঙ্গীকার করিতেছি”।

৩. বর্তমান প্রেক্ষাপট (২০২৬)

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় প্রজাস্বত্ব আইন (SAT Act) প্রণয়নের পর জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ায় পাট্টা ও কবুলিয়ত ব্যবস্থার সরাসরি প্রয়োগ এখন নেই। তবে:

  • মালিকানা যাচাই: আপনার জমিটি যদি বংশপরম্পরায় অনেক পুরনো হয়, তবে সিএস (CS) বা আরএস (RS) রেকর্ডের আগে মূল মালিকানা প্রমাণের জন্য এই দলিলগুলো ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

  • খাস জমি: বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে ভূমিহীনদের যখন খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়, তখন যে চুক্তিনামা সম্পাদিত হয় তা অনেকটা কবুলিয়ত প্রকৃতির।

৪. কিভাবে সত্যতা যাচাই করবেন?

যদি আপনার কাছে এই ধরনের কোনো পুরনো দলিল থাকে, তবে তা সঠিক কিনা বুঝতে নিচের কাজগুলো করতে পারেন:

  • দলিল নম্বর ও সাল: দলিলের উপরে থাকা নম্বর ও সাল দিয়ে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা জেলা রেকর্ড রুমে (Record Room) তল্লাশি দিতে পারেন।

  • খতিয়ানের সাথে মিল: দলিলের দাগ ও খতিয়ান নম্বর বর্তমানের অনলাইন পোর্টাল eporcha.gov.bd বা land.gov.bd এর তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

  • সিল ও স্ট্যাম্প: পুরনো দলিলের স্ট্যাম্পের পেছনের সিরিয়াল নম্বর এবং ব্যবহৃত সিলগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন।

The post কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল ২০২৬ । কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি ভাবে চিনবেন? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf/feed/ 0
জমি জমা সংক্রান্ত ২০২৩। দলিলের নম্বর চেনার উপায় কি? https://tricksboss.com/%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%a9%e0%a5%a4-%e0%a6%a6/ https://tricksboss.com/%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%a9%e0%a5%a4-%e0%a6%a6/#respond Thu, 12 Feb 2026 01:49:10 +0000 https://tricksboss.com/?p=4302 আপনার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি

The post জমি জমা সংক্রান্ত ২০২৩। দলিলের নম্বর চেনার উপায় কি? appeared first on Tricksboss.

]]>
আপনার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি বিস্তারিত এবং জনসচেতনতামূলক নিউজ রিপোর্ট নিচে তুলে ধরা হলো:


জমি কেনাবেচায় বিভ্রান্তি এড়াতে দলিলের নম্বর চেনার সহজ উপায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

জমি কেনাবেচা বা মালিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি হলো ‘দলিল’। কিন্তু অনেক সময় সাধারণ মানুষ মূল দলিল বা সার্টিফাইড কপির ভিড়ে আসল ‘দলিল নম্বর’ খুঁজে পেতে বিভ্রান্তিতে পড়েন। এই বিভ্রান্তি দূর করতে ভূমি বিশেষজ্ঞরা দলিলের ধরণ অনুযায়ী নম্বর চেনার কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের কথা জানিয়েছেন।

মূল দলিলের ক্ষেত্রে চেনার উপায়

সাধারণত মূল দলিলের ক্ষেত্রে নম্বর খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে সহজ। মূল দলিলের প্রথম পাতার ওপরের ডান কোণায় দলিল নম্বর লেখা থাকে। এই নম্বরের আগে সচরাচর ইংরেজি বর্ণ ‘I’ (রোমান ১) লেখা দেখা যায়, যা দ্বারা রেজিস্টার বুক নম্বর-১ বোঝানো হয়। এছাড়া দলিলের প্রথম পাতার বাম মার্জিনে দলিলের প্রকৃতি, জমির মূল্য, পরিমাণ, মৌজা এবং থানার নাম সংক্ষিপ্ত আকারে থাকে।

সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় মূল দলিলের শেষ পাতার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায়। সেখানে একটি নির্দিষ্ট সিলেকশন বা সিল দেওয়া থাকে, যেখানে দলিল নম্বর, ভলিউম নম্বর, রেজিস্টার বুক নম্বর, পাতার সংখ্যা এবং রেজিস্ট্রেশনের সন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

সার্টিফাইড কপি বা জাবেদা নকলের ক্ষেত্রে ভিন্নতা

অনেকের কাছে মূল দলিল না থেকে আদালতের বা রেজিস্ট্রি অফিসের দেওয়া ‘সার্টিফাইড কপি’ থাকে। এক্ষেত্রে নম্বর খোঁজার নিয়ম কিছুটা ভিন্ন:

  • বাম মার্জিনে লক্ষ্য করুন: সার্টিফাইড কপির শেষ পাতার প্রথম পৃষ্ঠায় অথবা তার আগের কোনো পাতার বাম পাশের মার্জিনে সিল আকারে ভলিউম, পাতা ও দলিল নম্বর দেওয়া থাকে।

  • দলিল লেখকদের নোট: অনেক সময় দলিল লেখকরা সার্টিফাইড কপির প্রথম পাতায় হাতে লিখে দলিল নম্বর ও সন উল্লেখ করে দেন। তবে এটি নিশ্চিত হতে মার্জিনের সিলের সাথে মিলিয়ে দেখা জরুরি।

টিপসই ও শনাক্তকরণ

আসল দলিল চেনার আরও একটি মাধ্যম হলো টিপসই। মূল দলিলের প্রথম পাতার দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় দাতা এবং শনাক্তকারীর টিপসই থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, জাবেদা নকল বা সার্টিফাইড কপিতে সরাসরি মূল টিপসই থাকে না; বরং তাদের নাম ও বিবরণ সুবিধাজনক পাতার বাম মার্জিনে উল্লেখ করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

দলিলের প্রথম পাতার ওপর অনেক সময় লেখক বিভিন্ন ক্রমিক নম্বর বা ভলিউম নম্বর এমনভাবে লেখেন যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা দুষ্কর হতে পারে। তাই ভুল এড়াতে সবসময় দলিলের শেষ পৃষ্ঠার সিল অনুসরণ করা উচিত। জমি রেজিস্ট্রেশনের পর প্রাপ্ত এই নম্বর ও সনটি ভবিষ্যতে বালাম বই থেকে তথ্য সংগ্রহ বা নামজারির জন্য অপরিহার্য।

The post জমি জমা সংক্রান্ত ২০২৩। দলিলের নম্বর চেনার উপায় কি? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%a9%e0%a5%a4-%e0%a6%a6/feed/ 0
ভুয়া দাখিলা ও খতিয়ান নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা: যাচাইয়ে ‘ভূমি’ অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf/ https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf/#respond Sun, 18 Jan 2026 13:10:43 +0000 https://tricksboss.com/?p=10828 দেশে ডিজিটাল ভূমি সেবার আড়ালে সক্রিয় হয়ে

The post ভুয়া দাখিলা ও খতিয়ান নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা: যাচাইয়ে ‘ভূমি’ অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ appeared first on Tricksboss.

]]>
দেশে ডিজিটাল ভূমি সেবার আড়ালে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক বা একাধিক সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সাধারণ নাগরিকদের প্রতারিত করতে তারা সরকারি দাখিলা, খতিয়ান ও ডিসিআর (DCR)-এর অনুরূপ কিউআর (QR) কোড ব্যবহার করে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নাগরিকদের সতর্ক করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

প্রতারণার ধরণ

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতারক চক্রটি সরকারি সিস্টেমের মতো দেখতে কিউআর কোড সংবলিত জাল নথি তৈরি করছে, যা খালি চোখে আসল বলে মনে হতে পারে। ভূমি করের রশিদ (দাখিলা), মালিকানা বিবরণী (খতিয়ান) এবং অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের রশিদ (ডিসিআর) জালিয়াতি করে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা

এই জালিয়াতি রুখতে এবং নিরাপদ ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘ভূমি (Bhumi)’ চালু করেছে। নাগরিকদের জন্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শসমূহ হলো:

  • অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই: কোনো নথি হাতে পেলে অন্য কোনো সাধারণ কিউআর স্ক্যানার ব্যবহার না করে শুধুমাত্র অফিসিয়াল ‘ভূমি’ অ্যাপের কিউআর কোড যাচাইকরণ ফিচার ব্যবহার করে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করতে হবে।

  • ডাউনলোড লিংক: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড (land.gov.bd/bhumi_android) এবং আইওএস (land.gov.bd/bhumi_ios) উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে।

  • হটলাইন ১৬১২২: কিউআর কোড স্ক্যান করার পর যদি তথ্যে কোনো অস্পষ্টতা, ত্রুটি দেখা দেয় বা তথ্যটি ভুয়া বলে সন্দেহ হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর ১৬১২২-এ কল করে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা

ভূমি মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভুয়া দাখিলা বা খতিয়ান প্রস্তুত করা এবং এগুলো ব্যবহার করা প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই চক্রের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জনস্বার্থে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে ভূমি মালিকদের ডিজিটাল প্রতারণা থেকে বাঁচতে যেকোনো লেনদেন বা নথিপত্র গ্রহণের আগে তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাই করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশে ডিজিটাল ভূমি সেবার আড়ালে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক বা একাধিক সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সাধারণ নাগরিকদের প্রতারিত করতে তারা সরকারি দাখিলা, খতিয়ান ও ডিসিআর (DCR)-এর অনুরূপ কিউআর (QR) কোড ব্যবহার করে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করছে। এই পরিস্থিতিতে আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নাগরিকদের সতর্ক করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

প্রতারণার ধরণ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতারক চক্রটি সরকারি সিস্টেমের মতো দেখতে কিউআর কোড সংবলিত জাল নথি তৈরি করছে, যা খালি চোখে আসল বলে মনে হতে পারে। ভূমি করের রশিদ (দাখিলা), মালিকানা বিবরণী (খতিয়ান) এবং অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায়ের রশিদ (ডিসিআর) জালিয়াতি করে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
এই জালিয়াতি রুখতে এবং নিরাপদ ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন 'ভূমি (Bhumi)' চালু করেছে। নাগরিকদের জন্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শসমূহ হলো:

অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই: কোনো নথি হাতে পেলে অন্য কোনো সাধারণ কিউআর স্ক্যানার ব্যবহার না করে শুধুমাত্র অফিসিয়াল 'ভূমি' অ্যাপের কিউআর কোড যাচাইকরণ ফিচার ব্যবহার করে তথ্যের সঠিকতা যাচাই করতে হবে।

ডাউনলোড লিংক: অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড (land.gov.bd/bhumi_android) এবং আইওএস (land.gov.bd/bhumi_ios) উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে।

হটলাইন ১৬১২২: কিউআর কোড স্ক্যান করার পর যদি তথ্যে কোনো অস্পষ্টতা, ত্রুটি দেখা দেয় বা তথ্যটি ভুয়া বলে সন্দেহ হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর ১৬১২২-এ কল করে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আইনি ব্যবস্থা
ভূমি মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভুয়া দাখিলা বা খতিয়ান প্রস্তুত করা এবং এগুলো ব্যবহার করা প্রচলিত আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই চক্রের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

জনস্বার্থে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে ভূমি মালিকদের ডিজিটাল প্রতারণা থেকে বাঁচতে যেকোনো লেনদেন বা নথিপত্র গ্রহণের আগে তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাই করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

The post ভুয়া দাখিলা ও খতিয়ান নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা: যাচাইয়ে ‘ভূমি’ অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শ appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/ 0
মাত্র ১১৭০ টাকায় জমির নামজারি: আবেদন করতে যা যা লাগবে https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be/ https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be/#respond Sat, 17 Jan 2026 03:02:14 +0000 https://tricksboss.com/?p=10811 জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে নামজারি বা মিউটেশন

The post মাত্র ১১৭০ টাকায় জমির নামজারি: আবেদন করতে যা যা লাগবে appeared first on Tricksboss.

]]>
জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে নামজারি বা মিউটেশন একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া। বর্তমানে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ই-নামজারি (e-Mutation) সিস্টেমের মাধ্যমে এই সেবাটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী করেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, একটি নামজারি সম্পন্ন করতে মোট ১১৭০ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে।

ফি-এর বিস্তারিত ব্রেকডাউন

আবেদনকারীকে দুই ধাপে এই ফি পরিশোধ করতে হয়: ১. আবেদন ফি: আবেদন করার সময় কোর্ট ফি (২০ টাকা) ও নোটিশ জারি ফি (৫০ টাকা) মিলিয়ে মোট ৭০ টাকা অনলাইনে জমা দিতে হয়। ২. অনুমোদন পরবর্তী ফি: নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর রেকর্ড সংশোধন ফি (১০০০ টাকা) ও খতিয়ান সরবরাহ ফি (১০০ টাকা) মিলিয়ে মোট ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সফলভাবে ই-নামজারি আবেদন করতে আপনার নিচের নথিপত্রগুলো স্ক্যান কপি (PDF বা JPG ফরম্যাটে) প্রয়োজন হবে:

  • আবেদনকারীর ছবি ও পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জন্ম নিবন্ধন বা পাসপোর্টের কপি।

  • ক্রয়সূত্রে মালিক হলে: মূল দলিলের কপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বায়া দলিলের কপি।

  • উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক হলে: অনধিক তিন মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত ওয়ারিশন সনদপত্র।

  • খতিয়ানের কপি: সিএস, এসএ, আরএস বা সর্বশেষ রেকর্ডীয় খতিয়ানের কপি।

  • ভূমি উন্নয়ন কর: সর্বশেষ হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের দাখিলা।

  • আদালতের রায় থাকলে: আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত রায় বা ডিক্রির সার্টিফাইড কপি (যদি থাকে)।

সতর্কতা ও টিপস

১. সঠিক মোবাইল নম্বর: আবেদনের সময় নিজের সচল মোবাইল নম্বর দিন, কারণ শুনানির তারিখ এবং ফি জমা দেওয়ার মেসেজ ওই নম্বরেই আসবে। ২. অনলাইনে পেমেন্ট: দালালের মাধ্যমে লেনদেন না করে সরাসরি একপে (ekPay) বা রকেট, বিকাশ, নগদের মতো গেটওয়ে ব্যবহার করে সরকারি ফি পরিশোধ করুন। ৩. ট্র্যাকিং: আবেদন করার পর একটি ‘আবেদন আইডি’ পাওয়া যাবে, যা দিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (mutation.land.gov.bd) থেকে আবেদনের বর্তমান অবস্থা চেক করা যাবে।

The post মাত্র ১১৭০ টাকায় জমির নামজারি: আবেদন করতে যা যা লাগবে appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be/feed/ 0
১১৭ বছরের দলিল যাচ্ছে অনলাইনে: ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল বিপ্লব https://tricksboss.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2/ https://tricksboss.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2/#respond Mon, 05 Jan 2026 02:02:29 +0000 https://tricksboss.com/?p=10778 বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা

The post ১১৭ বছরের দলিল যাচ্ছে অনলাইনে: ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল বিপ্লব appeared first on Tricksboss.

]]>
বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১১৭ বছরের এনালগ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এবার দলিল রেজিস্ট্রেশন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসছে সরকার। ১৯০৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সংরক্ষিত সকল দলিল ধাপে ধাপে স্ক্যান করে অনলাইনে আনার এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।

হাতের মুঠোয় আসবে জমির মালিকানা

এই প্রকল্পের ফলে এখন থেকে দলিল খোঁজা, যাচাই করা বা নকল কপির জন্য আর মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা পোর্টালের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে নাগরিকরা তাদের জমির দলিল ডাউনলোড করতে পারবেন। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভূমি সেবাকে জনবান্ধব করা এবং দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা।

হারানো দলিলের ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ

সরকার জানিয়েছে, ১৯০৮ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল দলিল কেন্দ্রীয় সিস্টেমে যুক্ত করা হবে। তবে দেশভাগ (১৯৪৭) এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের (১৯৭১) সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়ায় সেগুলো অনলাইনে পাওয়া যাবে না।

বিশেষ নির্দেশনা: যাদের কাছে এসব পুরনো দলিলের কপি সংরক্ষিত আছে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করে তা জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলোকেও অনলাইন ডাটাবেজে যুক্ত করা হবে।

বন্ধ হবে দুর্নীতি ও জালিয়াতি

ভূমি খাতের চিরচেনা অনিয়ম ও হয়রানি বন্ধে এই উদ্যোগকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ঘুষের অবসান: আগে একটি দলিল খুঁজে পেতে ২০ টাকার সরকারি ফি-র বিপরীতে ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হতো। অনলাইন সিস্টেমে এই হয়রানি পুরোপুরি বন্ধ হবে।

  • জালিয়াত রোধ: অনুপস্থিত মালিক বা প্রবাসীদের জমি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে দখল করার সুযোগ আর থাকবে না। অনলাইনে কয়েক ক্লিকেই দলিলের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে।

  • স্বচ্ছতা: মূল দলিল হারিয়ে গেলেও অনলাইন কপি আইনি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

ভূমি মালিকদের জন্য ৫টি জরুরি পরামর্শ

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের এই সন্ধিক্ষণে সাধারণ ভূমি মালিকদের কিছু বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:

  1. ধৈর্য ধারণ: অনলাইন সিস্টেমটি পুরোপুরি চালু হওয়া পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষা করুন।

  2. দলিল যাচাই: আপনার কাছে থাকা দলিলের তথ্য সঠিক আছে কি না তা আগে থেকেই মিলিয়ে নিন।

  3. কপি জমা দিন: যেসব দলিল অনলাইনে খুঁজে পাওয়া যাবে না, সেগুলোর ফটোকপি দ্রুত রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিয়ে অনলাইনকরণের আবেদন করুন।

  4. জাল দলিল থেকে সাবধান: মনে রাখবেন, কোনোভাবেই জাল বা ভুয়া দলিল অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।

  5. প্রযুক্তিগত জ্ঞান: সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহারের সাধারণ নিয়মগুলো শিখে নিন অথবা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সহায়তা নিন।

দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে প্রবাসীদের জন্য এটি একটি বড় স্বস্তি বয়ে আনবে, কারণ তারা এখন বিদেশ থেকেই নিজের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন।

সামগ্রিকভাবে, ১১৭ বছরের নথিপত্র ডিজিটাল করার এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আধুনিকতার এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

The post ১১৭ বছরের দলিল যাচ্ছে অনলাইনে: ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল বিপ্লব appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2/feed/ 0