সঞ্চয়পত্র ও ট্রেজারি বিল । Govt. Bond Archives - Tricksboss https://tricksboss.com/category/সঞ্চয়পত্র-ও-ট্রেজারি-বি/ The Ultimate Solution-NID, BDRIS, TECH TIPS Wed, 08 Apr 2026 15:37:47 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://tricksboss.com/wp-content/uploads/2023/11/cropped-favicon-1-32x32.png সঞ্চয়পত্র ও ট্রেজারি বিল । Govt. Bond Archives - Tricksboss https://tricksboss.com/category/সঞ্চয়পত্র-ও-ট্রেজারি-বি/ 32 32 নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে সাধারণ মানুষ : সরকারি স্কিমেই মিলছে ভরসা https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%81%e0%a6%9c%e0%a7%87/ https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%81%e0%a6%9c%e0%a7%87/#respond Wed, 08 Apr 2026 15:37:47 +0000 https://tricksboss.com/?p=11407 বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের

The post নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে সাধারণ মানুষ : সরকারি স্কিমেই মিলছে ভরসা appeared first on Tricksboss.

]]>
বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে “নিরাপত্তা”। শেয়ার বাজার বা ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের চেয়ে বাংলাদেশের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখন সরকারি সঞ্চয়পত্র, বন্ড এবং পেনশনের মতো নিশ্চিত আয়ের মাধ্যমগুলোকে বেশি বেছে নিচ্ছেন। সরকারের সরাসরি গ্যারান্টি এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর নিশ্চিত মুনাফা থাকায় এসব স্কিম বর্তমানে বিনিয়োগের সেরা অপশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সঞ্চয়পত্র: মধ্যবিত্তের প্রথম পছন্দ

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বিনিয়োগের প্রধান উৎস হিসেবে রাজত্ব করছে সঞ্চয়পত্র। বর্তমানে ৪টি প্রধান সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগকারীদের কাছে জনপ্রিয়:

  • পরিবার সঞ্চয়পত্র: বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের জন্য উচ্চ মুনাফার এই স্কিমটি অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন।

  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র: অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এটি একটি বড় আস্থার জায়গা।

  • বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র: নিয়মিত আয়ের উৎস হিসেবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখানে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছেন।

সর্বজনীন পেনশন স্কিম: ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত

২০২৪ সালে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম ২০২৬ সালে এসে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে চারটি ভিন্ন স্কিমে সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করছে: ১. প্রগতি: বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য। ২. সুরক্ষা: স্বনির্ভর বা অনানুষ্ঠানিক খাতের মানুষের জন্য। ৩. সমতা: স্বল্প আয়ের নাগরিকদের জন্য (যেখানে সরকার ৫০% চাঁদা প্রদান করে)। ৪. প্রবাস: প্রবাসীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় বিনিয়োগের সুযোগ।

বন্ড ও ট্রেজারি বিল: স্মার্ট বিনিয়োগের মাধ্যম

প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য ট্রেজারি বিল ও বন্ড এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজলভ্য।

  • ট্রেজারি বিল: ডিসকাউন্টে কেনা যায় এবং ম্যাচিউরিটিতে পূর্ণ মূল্য পাওয়া যায়।

  • ট্রেজারি বন্ড: নির্দিষ্ট সময় পর পর ইন্টারেস্ট এবং সরকারের ১০০% গ্যারান্টি থাকায় এটি ব্যাংক আমানতের বিকল্প হিসেবে দাঁড়াচ্ছে।

  • প্রবাসী বন্ড: ওয়েজ আর্নার বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি লাভজনক মুনাফা পাচ্ছেন।

সুদবিহীন বিনিয়োগ: সরকারি সুকুক

ধর্মপ্রাণ ও সুদবিহীন বিনিয়োগে আগ্রহীদের জন্য ‘সরকারি সুকুক’ বা ইসলামিক বন্ড একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। শরিয়াহভিত্তিক এই বিনিয়োগে সুদের বদলে লভ্যাংশ প্রদান করা হয়, যা দেশে ইসলামিক ফাইন্যান্সিংয়ের প্রসারে বড় ভূমিকা রাখছে।

পোস্ট অফিস ও প্রাইজবন্ড

গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে এখনো ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক (সাধারণ ও মেয়াদি হিসাব) অত্যন্ত জনপ্রিয়। অন্যদিকে, মাত্র ১০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১০০% নিরাপত্তা এবং ড্রয়ের মাধ্যমে কোটি টাকা জেতার সুযোগ থাকায় প্রাইজবন্ড এখনো সাধারণ মানুষের শখ ও বিনিয়োগের সংমিশ্রণ হিসেবে টিকে আছে।

বিশেষজ্ঞ অভিমত

অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকারি বিনিয়োগ দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সহায়তা করে এবং সাধারণ মানুষের অলস টাকাকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার নিশ্চিত করে। তবে বিনিয়োগের সীমা এবং ট্যাক্স সংক্রান্ত নিয়মগুলো ভালোভাবে বুঝে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।


বিনিয়োগ পরামর্শ: যেকোনো স্কিমে বিনিয়োগের আগে বর্তমান মুনাফার হার এবং উৎসে কর (Source Tax) সম্পর্কে নিকটস্থ ব্যাংক বা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

The post নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে সাধারণ মানুষ : সরকারি স্কিমেই মিলছে ভরসা appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%81%e0%a6%9c%e0%a7%87/feed/ 0
সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার ২০২৬ । জেনে নিন বিনিয়োগে কত টাকা লাভ পাবেন https://tricksboss.com/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%be/ https://tricksboss.com/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%be/#respond Thu, 26 Mar 2026 06:01:08 +0000 https://tricksboss.com/?p=11355 দেশের সাধারণ বিনিয়োগকারী বিশেষ করে নারী, অবসরপ্রাপ্ত

The post সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার ২০২৬ । জেনে নিন বিনিয়োগে কত টাকা লাভ পাবেন appeared first on Tricksboss.

]]>
দেশের সাধারণ বিনিয়োগকারী বিশেষ করে নারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হলো সঞ্চয়পত্র। বর্তমানে সরকারের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ৫ শতাংশ উৎস কর বহাল রেখে বিভিন্ন মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ১ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুনাফা পাচ্ছেন।

বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে প্রধান তিনটি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার বিস্তারিত হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:

১. পরিবার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) এটি মূলত মহিলাদের জন্য এবং ৬৫ বছরের উর্ধ্বে পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য।

  • ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: মুনাফার হার ১১.৫২%। ১ লক্ষ টাকায় প্রতি মাসে নিট মুনাফা পাওয়া যাবে ৯১২ টাকা। (আয়কর ৫% কাটার পর)।

  • ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: মুনাফার হার ১১.৫২% হলেও উচ্চতর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্লাব ভিত্তিক মুনাফা কিছুটা কমে আসে। সেক্ষেত্রে মাসিক নিট মুনাফা ৮৯৪.৭৫ টাকা

  • ৭.৫ লক্ষ টাকার উপরে: মুনাফার হার ১১.০৬%। এক্ষেত্রে প্রতি লাখে মাসিক নিট মুনাফা ৮৮৩ টাকা

২. পেনশনার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এই স্কিমটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

  • ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: মুনাফার হার ১১.৭৬%। প্রতি লাখে মাসিক নিট মুনাফা ৯৯৮ টাকা

  • ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: মুনাফার হার ১১.৭৬% হলেও পরবর্তী স্লাবে মাসিক নিট মুনাফা দাঁড়ায় ৮৯৮ টাকা

  • ৭.৫ লক্ষ টাকার উপরে: মুনাফার হার ১১.০৬%। এক্ষেত্রে প্রতি লাখে মাসিক নিট মুনাফা ৮৮৩ টাকা

৩. তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র (৩ বছর মেয়াদী) এই স্কিমটিতে নারী ও পুরুষ উভয়ই বিনিয়োগ করতে পারেন।

  • ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: মুনাফার হার ১১.০৪%। প্রতি ৩ মাস অন্তর নিট মুনাফা পাওয়া যাবে ২,৬২২.৫০ টাকা

  • ৫ লক্ষ থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত: প্রতি ৩ মাস অন্তর নিট মুনাফা ২,৫৩৯.৫০ টাকা

  • ৭.৫ লক্ষ টাকার উপরে: মুনাফার হার ১০.৫২%। এক্ষেত্রে প্রতি ৩ মাস অন্তর নিট মুনাফা ২,৪৮৬.২৫ টাকা

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি: সরকারের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ উৎস কর কাটা হয়। তবে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ উৎস কর কর্তন করা হয়। এছাড়া অনলাইন ডাটাবেস বা এনআইডি-র মাধ্যমে এখন সঞ্চয়পত্র কেনা এবং এর মুনাফা সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ইএফটি (EFT)-র মাধ্যমে জমা হচ্ছে।

নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত মুনাফার জন্য সাধারণ মানুষ এখনো সঞ্চয়পত্রকেই তাদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

The post সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার ২০২৬ । জেনে নিন বিনিয়োগে কত টাকা লাভ পাবেন appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%b8%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%be/feed/ 0
সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নিয়ম ২০২৬ । সঞ্চয়পত্র কিনতে কি কি কাগজপত্র লাগে? https://tricksboss.com/sanchaypatro-purchase-new-rules-bd/ https://tricksboss.com/sanchaypatro-purchase-new-rules-bd/#respond Sun, 01 Mar 2026 00:07:25 +0000 https://banksbd.xyz/?p=2433 সঞ্চয়পত্র একটি সামাজিক আর্থিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যে

The post সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নিয়ম ২০২৬ । সঞ্চয়পত্র কিনতে কি কি কাগজপত্র লাগে? appeared first on Tricksboss.

]]>
সঞ্চয়পত্র একটি সামাজিক আর্থিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যে ব্যবস্থায় ব্যবসা বা চাকরি করতে অক্ষম এমন ব্যক্তিগণ সরকারি সঞ্চয়স্কীমের আওতায় মাসিক বা ৩ মাস অন্তর অন্তর মুনাফায় দৈনন্দিন কর্মকান্ড সচল রাখতে পারেন। তাছাড়া ক্ষুদ্র সঞ্চয় অভ্যাস গড়তে দরিদ্র এবং সম্ভবহীন মানুষের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার নামই সঞ্চয়পত্র স্কীম।

সঞ্চয়পত্রে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ মুনাফা প্রদানের সুযোগ রেখেছে যা কোন ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রদান করে না। বাংলাদেশ সরকার জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর এর মাধ্যমে সঞ্চয়স্কীমগুলো পরিচালিত হয়। যে কেউ লোকাল সঞ্চয় অধিদপ্তরে গিয়ে সঞ্চয়পত ক্রয় করতে পারে এবং ভাঙ্গাতে পারে। তবে সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয় আরও সহজ করতে রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংক ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সঞ্চয়পত্র বিক্রি করছে।

সঞ্চয়পত্র কোথায় পাওয়া যাবে?

সোনালী ব্যাংক এর যে কোন শাখায় সঞ্চয়পত্র পাওয়া যাবে। এছাড়া আমরা সকলেই জানি ডাক বিভাগ পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে থাকে। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের কিছু শাখা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন শাখা হতে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা যায়। মাত্র এক পাতার ফরম পূরণের মাধ্যমে এখন সঞ্চয়পত্র অন্যান্য ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংকের যে কান শাখা হতে মুহুর্তেই ক্রয় করা যায়। তাই আপনার জমানো মাত্র ১০ হাজার টাকায়ও আপনি সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে পারেন। সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে আপনি ১১% পর্যন্ত মুনাফা পেতে পারেন যদি সরকার বর্তমান ৫%-১০% পর্যন্ত উৎসে আয়কর কেটে রাখছে তবুও প্রতি ১ লক্ষ টাকা পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে ৯১২ টাকা মাসিক মুনাফা পাওয়া যায়। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়পত্র মুনাফার হার কমানো হয়নি।

সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?

সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গ্রাহকের বা ক্রেতার দুই কপি ছবি, এক কপি জাতীয় পরিচয়পত্র ফরম এবং ১ কপি নমিনির ছবি এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পূরণকৃত ১ পাতার ফরম। এছাড়া আপনার ব্যাংক হিসাবের চেক বইয়ের একটি পাতা যেখানে সঞ্চয়পত্র এমাউন্ট লেখা থাকবে। যদি ২ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেন তবে টিন সার্টিফিকেট লাগবে যা আপনি যে কোন কম্পিউটারের দোকান হতে করে নিতে পারেন। আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংক ভিজিট করুন: সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে যে সকল ডকুমেন্টস লাগবে।

সোনালী-ব্যাংকের-ওয়াল-পোস্ট-scaled

সর্বনিম্ন কত টাকা এবং সর্বোচ্চ কত টাকা সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা যায়?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সব ধরনের সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। তবে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা সঞ্চয়পত্রও আপনি ক্রয় করতে পারেন। যে কোন সময় এই সঞ্চয়পত্র নগদায়ণ করা যায়। তাছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হলো আপনি আপনার সঞ্চয়ের মুনাফা প্রতিমাসে বা ৩ মাস অন্তরের ক্ষেত্রে ৩ মাস পর পর আপনার ব্যাংক হিসাবে অটো পেয়ে যাবেন। পূর্বের ডাক ঘরের মাধ্যমে ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্রের মত লাইনে দাড়িয়ে মুনাফা তুলতে হবে না। মাস শেষে আপনার ব্যাংক হিসাব মুনাফা হিট করবে আপনি চাইলে যে কোন সময় চেক বা ডেবিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে তুলতে পারেন। তাই সহজ ও নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সঞ্চয়পত্র হতে পারে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ মাধ্যম।

মুনাফা তুলতে কি লাইনে দাঁড়াতে হবে?

ব্যাংকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে মুনাফা এবং আসল বিনিয়োগের অর্থ তুলতে আপনাকে লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হবে না ঘন্টারপর ঘন্টা। প্রতিমাসে মুনাফা আপনার ব্যাংক হিসাব অটোমেটিক বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হয়ে যাবে। অন্য দিকে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গতে চাই আপনি শুধুমাত্র ব্যাংক চার্জ গুনবেন অতিরিক্ত কোন অর্থ গুনতে হবে না এবং কাউকে তোষামোদ করতে হবে না যদি আপনি বিনিয়োগ ফেরত পেতে পান। সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর আবেদন করলে ঐদিন বা পরের দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংক হিসাবে আপনার আসল বা বিনিয়োগ জমা হয়ে যাবে। অন্য দিকে মেয়াদ শেষে অটোমেটিক বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেয়াদান্তের শেষ দিনের পরদিন আপনার ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয় এমাউন্ট বা বিনিয়োগ জমা হয়ে যাবে।

অন্য কারও একাউন্ট এ টাকা জমা করে কি আমার নামে সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবো?

না। আপনার নামেই ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং যদি সঞ্চয় এমাউন্ট ২ লক্ষ টাকার উপরে হয় আপনার নামেই টিন সার্টিফিকেট থাকতে হবে। চেকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র কিনতে হবে। ব্যাংক নগদ টাকা গননার মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে না। আপনার নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা করে MICR চেক বা সাধারন লোকাল চেকের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। সঞ্চয়পত্র বিক্রির জন্য সোনালী ব্যাংকের বেশি ভাগ ব্রাঞ্চেই আলাদা অফিসার নিয়োগ করা রয়েছে।

সঞ্চয়পত্র মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা নাকি?

জি অবশ্যই। সাধারণ মহিলাদের জন্য পারিবার সঞ্চয়পত্র এবং পুরুষদের জন্য ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র প্রযোজ্য। তাছাড়াও পরিবার সঞ্চয়পত্রও পুরুষ কিনতে পারে সে ক্ষেত্রে বয়স ৬৫ বছরের উর্ধ্বে হতে হবে। অন্য দিকে মহিলাগণ পরিবার এবং ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্রও ক্রয় করতে পারেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সব ধরনের সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তিন মাস অন্তর মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের স্কিমে ৩০ লাখ টাকার বেশি কিনতে পারবেন না।

সঞ্চয়পত্র ফরম কোথায় পাওয়া যাবে?

প্রতিটি সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা ব্যাংক গুলো সঞ্চয়পত্র ফরম পাওয়া যাবে। আপনি সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে নিয়োজিত অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলেই ফরম পেয়ে যাবেন। তাছাড়া আমার দেওয়া লিংক হতেও আপনি সঞ্চয়পত্র ফরম সংগ্রহ করতে পারেন। সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের আবেদন ফরমএক পাতার সঞ্চয়পত্র ফরম।

সঞ্চয়পত্র সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে লিংক ভিজিট করুন: ডাউনলোড

 

ব্যবসা করতে সক্ষম বা যে কোন বিনিয়োগে শ্রম দিতে সক্ষম তাদের জন্য সঞ্চয়পত্র নয়। বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেয়া সোনালি ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সব ধরনের সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তিন মাস অন্তর মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের স্কিমে ৩০ লাখ টাকার বেশি কিনতে পারবেন না।

The post সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নিয়ম ২০২৬ । সঞ্চয়পত্র কিনতে কি কি কাগজপত্র লাগে? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/sanchaypatro-purchase-new-rules-bd/feed/ 0
ICB তে বিনিয়োগ করার নিয়ম ২০২৩ । আইসিবি কিভাবে আয় করে থাকে? https://tricksboss.com/icb-%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a6/ https://tricksboss.com/icb-%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a6/#respond Fri, 05 May 2023 11:32:40 +0000 https://banksbd.xyz/?p=2954 আইসিবি ইউনিট কিনে আপনি নিরাপদ বিনিয়োগ করতে

The post ICB তে বিনিয়োগ করার নিয়ম ২০২৩ । আইসিবি কিভাবে আয় করে থাকে? appeared first on Tricksboss.

]]>

আইসিবি ইউনিট কিনে আপনি নিরাপদ বিনিয়োগ করতে পারেন-সঞ্চয়পত্রের পর আইসিবি ইউনিট ও বন্ড নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ বিনিয়োগ – ICB তে বিনিয়োগ করার নিয়ম ২০২৩

আইসিবি কি? দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালায় দ্রুত কার্যকরী পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর তারিখে “দি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৬” (১৯৭৬ সালের ৪০ নং অধ্যাদেশ) বলে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের দ্রুত শিল্পায়নে এবং সুসংহত ও সক্রিয় পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সিকিউরিটিজ বাজার উন্নয়নে আইসিবির প্রতিষ্ঠা সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কোম্পানিসমূহের মূলধন স্বল্পতা পূরণে আইসিবি প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি ও জাতীয় নীতিমালার আলোকে স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রয়াসে আইসিবি অবিচ্ছেদ্য এবং নির্ভরযোগ্য ভূমিকা রাখে। দি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (সংশোধন) আইন, ২০০০ (২০০০ সালের ২৪ নং আইন) বলে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন ও পরিচালনার মাধ্যমে আইসিবির ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার কৌশল ও নীতিতে সংস্কার সাধিত হয়েছে। বর্তমানে কর্পোরেশন “ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ আইন, ২০১৪” অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

আইসিবি কেন গঠন করা হয়েছে? বিনিয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ ও উৎসাহ প্রদান লক্ষ্যের গঠন করা হয়। এছাড়া পুঁজিবাজার উন্নয়ন, সঞ্চয় সংগ্রহ এবং প্রাসঙ্গিক সকল প্রকার আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য আইসিবি গঠন করা হয়। মেইনলি সাধারণ মানুষ ব্রাঞ্চ ভিজিট করে বিনিয়োগ করতে পারেন ব্যাংক একাউন্ট লিংক করে।

ব্যবসায় কিভাবে নীতি সহায়তা করে? শিল্প, বাণিজ্য, আমানতকারী, বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ জনগণের স্বার্থের প্রতি দৃষ্টি রেখে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। কারিগরি, আর্থিক ও বাণিজ্যিকভাবে সম্ভাবনাময় প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। এককভাবে অথবা ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে প্রকল্পে ইক্যুইটি ও ঋণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং তাঁদের উৎসাহ প্রদান করা হয়। বিনিয়োগ বৈচিত্র্যকরণ এবং সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি সঞ্চয়কারীদের উদ্বুদ্ধকরণ করা হয়। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। কৃষিভিত্তিক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধকরণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

বার্ষিক বোনাস বা মুনাফা কেমন পাওয়া যায়? মুনাফা মূলত আয়ের উপর নির্ভর করে থাকে তবে বোনাস শেয়ার ৫% প্রদান করা হয়েছে গত অর্থ বছরেও। নভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এর ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ঘোষিত ৫% বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে ১৬.০১.২০২৩ তারিখে ক্রেডিট করা হয়েছে। এছাড়া আইসিবি ঘোষিত ৫% নগদ লভ্যাংশ এবং ফ্র্যাকশনাল শেয়ারের বিক্রয়লব্ধ অর্থ পরবর্তীতে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) এর মাধ্যমে আইসিবি’র শেয়ারহোল্ডারগণের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে ক্রেডিট করা হবে এবং কাগজের শেয়ারহোল্ডারগণের লভ্যাংশপত্র (ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট) ডাক বিভাগের রেজিস্টার এ/ডি-এর মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারগণের ঠিকানায় প্রেরণ করা হবে। সূত্র দেখুন

আইসিবি ইউনিট ফান্ড কি? আইসিবি ইউনিট ফান্ড দেশের প্রথম বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এই স্কিমটি ১৯৮১ সালের এপ্রিলে চালু হয়েছিল, যার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সঞ্চয়কারীরা তাদের সঞ্চয় ভারসাম্যপূর্ণ এবং তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগের সুযোগ পান। আইসিবি এখন পর্যন্ত প্রতি বছর ইউনিটগুলিতে আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই ফান্ড ইউনিট প্রতি ৪১.০০ টাকা লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ইউনিট ফান্ড বিনিয়োগকারীরা আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য করের সুবিধা ভোগ করেন।

শেয়ারহোল্ডিং অবস্থান / বর্তমানে ১৮৭৬ কোটি টাকা পেইড আপ ও অনুমোদিত ক্যাপিটাল রয়েছে

 শেয়ার বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত করে বিক্রি করে থাকে। সাধারণ জনগন ১.৫৯% শেয়ার ক্রয় করেছে।

Caption: source of information

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন ইন বাংলাদেশ । আইসিবি’র কার্যক্রম কি কি?

  1. প্লেসমেন্ট ও ইক্যুইটি পার্টিসিপেশনসহ সরাসরি শেয়ার ও ডিবেঞ্চার ক্রয় ও বিক্রয় করা হয়।
  2. মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ইউনিট ফান্ডের প্লেসমেন্ট-এ অংশগ্রহণ করে থাকে।
  3. এককভাবে এবং সিন্ডিকেট গঠনের মাধ্যমে লিজ অর্থায়ন করা হয়।
  4. বিনিয়োগ হিসাব ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করা হয়।
  5. ইউনিট ফান্ড ব্যবস্থাপনা করা হয়।
  6. পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা এবং সিকিউরিটিজ ক্রয় বিক্রয়ে অংশগ্রহণ করে থাকে।
  7. আইসিবি ও এর সাবসিডিয়ারি কোম্পানি পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড সার্টিফিকেটের বিপরীতে অগ্রিম প্রদান করা হয়।
  8. ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করা হয়।
  9. ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হয়।
  10. যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির অর্থায়নে অংশগ্রহণ করা হয়।
  11. বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করা হয়।
  12. সরকারের পুঁজি প্রত্যাহার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা হয়।
  13. বাজার চাহিদা উপযোগী নতুন ব্যবসা উদ্ভাবন কার্যক্রমে সাহায্য করা হয়।
  14. পুঁজিবাজার সংক্রান্ত অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রমে সহায়তা করা হয়।
  15. ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অর্থায়ন করা হয়।
  16. মার্জার, এক্যুইজিশন এবং অ্যাসেট পুনর্গঠন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করা হয়।
  17. ইক্যুইটি এন্ড অন্ট্রাপ্র্যানারশিপ ফান্ড (ইইএফ), অন্ট্রাপ্র্যানারশিপ সাপোর্ট ফান্ড (ইএসএফ) এবং সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত বিশেষ তহবিল ব্যবস্থাপনা করা হয়।
  18. হোল্ডিং কোম্পানি হিসেবে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিসমূহের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা হয়।
  19. রাষ্ট্রমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অফলোড প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে থাকে।

আইসিবি কি ঋণ প্রদান করে থাকে?

জমি কেনা, বাড়ি তৈরি বা বাড়ি সংস্কারের জন্য সরকারি বিনিয়োগ সংস্থা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কর্মচারীরা ৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। ঋণ পাওয়ার প্রধান শর্ত হচ্ছে আইসিবিতে স্থায়ী চাকরি থাকতে হবে। অর্থাৎ যোগ দেওয়ার পর অন্তত তিন বছর পার হতে হবে। ঋণের বিপরীতে সুদ দিতে হবে ব্যাংক হারে। শেয়ার বাজারের বিভিন্ন কোম্পানি বা ব্যাংকগুলোকেও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানির শেয়ার কিনেও আপনি আইসিবি’র শেয়ার গ্রাহক হতে পারেন।

The post ICB তে বিনিয়োগ করার নিয়ম ২০২৩ । আইসিবি কিভাবে আয় করে থাকে? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/icb-%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a6/feed/ 0
গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল ও বন্ড ২০২৩ । যে কারণে আপনি ট্রেজারি বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করবেন https://tricksboss.com/%e0%a6%97%e0%a6%ad%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2/ https://tricksboss.com/%e0%a6%97%e0%a6%ad%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2/#respond Thu, 02 Feb 2023 01:57:18 +0000 https://banksbd.xyz/?p=2740 সরকারি ট্রেজারি বিল সরকার নিজে বিক্রি করে

The post গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল ও বন্ড ২০২৩ । যে কারণে আপনি ট্রেজারি বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করবেন appeared first on Tricksboss.

]]>

সরকারি ট্রেজারি বিল সরকার নিজে বিক্রি করে তাই সম্পূর্ণ নিরাপদ-যদিও বর্তমান ৬.৫% সুদ/মুনাফা পাওয়া যায় – এটি প্রতিনিয়ত আপ-ডাউন হয় – গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল ও বন্ড ২০২৩

গভঃ ট্রেজারি বিল ও বন্ড কী? সরকার বিভিন্ন সময় জনগণ বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সুদে ঋণ নিয়ে থাকে। দেশের উন্নয়ন, জরুরি প্রয়োজন বা বেতন-ভাতা দিতে সরকার এসব ঋণ নিয়ে থাকে। ট্রেজারি বিল বা বন্ডের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ নিবাসী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ-এর তহবিল লাভজনক উপায়ে বিনিয়োগের জন্য ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদী ট্রেজারী বিল এবং ৫, ১০, ১৫ এবং ২০ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ গভর্ণমেন্ট ট্রেজারী বন্ড (BGTB) নিলামের মাধ্যমে ইস্যু করছে। বাংলাদেশ নিবাসী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানী, কর্পোরেট বডি, প্রভিডেন্ট ফান্ড পেনশন ফান্ড ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অনিবাসী বাংলাদেশী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান যাদের বাংলাদেশের কোন ব্যাংকে Non – Resident Foreign Currency Account আছে  তারও ক্রয় করতে পারেন।

বাংলাদেশ নিবাসী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ মেয়াদপূর্তির পূর্বে যে কোন সময় এ বিল/বন্ড বিক্রয় করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট শাখায়/প্রাইমারী ডিলারের নিকট অথবা বাংলাদেশ নিবাসী ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান যেমন- ব্যাংক, নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানী, কর্পোরেট বডি, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও পেনশন ফান্ড ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ বিল ও বন্ড বিক্রয় করা যাবে। অনিবাসী বাংলাদেশী ব্যাক্তি এবং প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কোন ব্যাংকে Non-Resident Foreign Currency Account আছে এমন অনিবাসী ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিকট মেয়াদপূর্তির পূর্বে যে কোন সময় এ বিল/বন্ড বিক্রয় করতে পারবে। তবে ক্রয়ের ১ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ নিবাসীর নিকট বিক্রয় করতে পারবে না।

সরকারের হাতে থাকে বলে সঞ্চয়পত্র ও ট্রেজারি বিল ও বন্ড সম্পূর্ণ নিরাপদ / ফিক্সড ডিপোজিট থেকেও এটি বেশি নিরাপদ ও লাভজনক

চলতি বছরই ট্রেজারি বিল ও বন্ড শেয়ার বাজারে উঠবে। এতে করে সাধারণ জনগণ শেয়ার মার্কেট থেকেই এটি ক্রয় ও বিক্রয় করতে পারবেন।

গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল ও বন্ড ২০২৩ । যে কারণে আপনি ট্রেজারি বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করবেন

Caption: Source of Information

বাংলাদেশ গভর্ণমেন্ট ট্রেজারী বিল ও বন্ড । ট্রেজারি বিল বা বন্ড ক্রয় বিক্রয় নিয়ম বা বিধিমালা

  1. সোনালী ব্যাংক লিমিটেড-এর কোন শাখায় পাওয়া যাবে? সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সকল কর্পোরেট শাখায়। যে সকল জেলায় সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের কর্পোরেট শাখা নেই সে সকল জেলার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান শাখায়।
  2. বিল ও বন্ডের সুবিধা কি? বিল ও বন্ডে বিনিয়োগের বিপরীতে আকর্ষণীয় (মেয়াদ ভেদে বিলের ক্ষেত্রে ২.৩১% – ৪.৬১% এবং বন্ডের ক্ষেত্রে ৭.৮০% – ৯.১০%) মুনাফা প্রদান করা হবে। প্রত্যেক নিলামে এই মুনাফা পরিবর্তনশীল। এ বিল ও বন্ড গ্যারান্টিযুক্ত বিধায় এ খাতে বিনিয়োগ সম্পূর্ন ঝুকিঁমুক্ত। বিলের মেয়াদকাল ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন এবং বন্ডের মেয়াদকাল ৫, ১০, ১৫ এবং ২০ বছর বিধায় বিনিয়োগকারী সুবিধাজনক মেয়াদে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ক্রেতা সরাসরি সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠেয় নিলামে (প্রাইমারী মার্কেটে) অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
  3. বিলে বিনিয়োগ স্বল্প মেয়াদী হওয়ায় মেয়াদান্তে মুনাফা ও আসল একসাথে ফেরৎ পাওয়া যাবে।
  4. বন্ডের মুনাফা ইস্যুর তারিখ হতে ছয় মাস অন্তর অন্তর উত্তোলনযোগ্য।
  5. অর্জিত মুনাফা এবং পুনঃবিক্রয়কৃত অর্থ/মেয়াদ পূর্তির পর আসল বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে প্রত্যাবাসনযোগ্য।
  6. বিল ও বন্ডের মূল্যমান কত? ১.০০ লক্ষ্ টাকা এবং ১.০০ লক্ষ টাকার গুনিতক অঙ্কে ক্রয় করা যাবে।
  7. বিল/বন্ড ক্রয়ের পদ্ধতি কি? (ক) প্রাইমারী ইস্যু: বন্ড ক্রয়ের জন্য ক্রেতাকে মনোনীত শাখায় চলতি হিসাব খুলতে হবে। উক্ত চলতি হিসাবে ক্রেতার আবেদন অনুযায়ী পর্যাপ্ত স্থিতি থাকতে হবে যা লিয়েন মার্ক করা থাকবে।
  8. কূপন হার উল্লেখ করে ১.০০ টাকার গুনিতক অঙ্কের অভিহিত মূল্যে মনোনীত শাখার মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে ত্রেতাকে আবেদন করতে হবে। ক্রেতার প্রস্তাবিত কূপন হার বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট গ্রহনযোগ্য হলে বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেতার অনুকূলে বিল/বন্ড ইস্যু করবে।
  9. বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ক্রেতার অনুকূলে বিল/বন্ড ইস্যু করার পর বিল/বন্ডের টাকা সংশ্লিষ্ট শাখা ডেবিট টিআরএ-এর মাধ্যমে প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারী ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনে প্রেরণ করবে।
  10. সেকেন্ডারী ইস্যু- কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ডারী মার্কেট থেকেও বিল/বন্ড ক্রয় করতে পারবে। এক্ষেত্রে মনোনীত শাখাকে বিল/বন্ডের মূল্যের সমপরিমান অঙ্কের চেক/ডেবিট টিআরএ প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারী ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনে প্রেরণ করতে হবে।
  11. মনোনী শাখাকে সংশ্লিষ্ট ক্রেতার অনুকূলে একটি সাবসিডিয়ারী জেনারেল লেজার(SGL) খুলতে হবে এবং ঐ লেজারে এন্ট্রি দিতে হবে।
  12. বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্তির পর ষান্মাসিক কুপন/মুনাফা সংশ্লিষ্ট শাখায় ডেবিট টিআরএ-এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে।
  13. অর্থ আইন ২০০৭ এ বর্ণিত বিধি অনুযায়ী বিল/বন্ডের জন্য প্রদেয় মুনাফা/সুদের উপর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আয়কর কর্তনযোগ্য হবে।
  14. ক্রয়/বিক্রয় চুক্তির কপি বিল/বন্ডের সার্টিফিকেট হিসেবে পরিগণিত হবে।
  15. বিল ও বিন্ড নগদায়ন/বিক্রয় পদ্ধতি- মেয়াদপূর্তিতে বিল/বন্ডের আসল এবং সুদ যথাসময়ে প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারী ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন থেকে সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রেরণ করা হবে।

ট্রেজারি বন্ড কত দিনের জন্য ক্রয় করা যায়?

ট্রেজারি বন্ড হল একটি দীর্ঘমেয়াদী(২-২০ বছর মেয়াদি) ক্যাপিটাল মার্কেট প্রোডাক্ট। সরকার এটি ইস্যু করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে কেনা-বেচা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোনো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান এর নিলামে অংশ নিতে পারে। তবে উল্লেখ্য যে, কোন প্রতিষ্ঠানের শাখা পর্যায়ে ট্রেজারি বন্ড ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেনা। শুধুমাত্র প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারি বিভাগ থেকে এটি ক্রয়-বিক্রয় করা যায়। বর্তমানে আমাদের দেশে ৫(পাঁচ) ধরণের ট্রেজারি বন্ড প্রচলিত আছে। এগুলো হলঃ ১) ২ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড । ২) ৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড । ৩) ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড। ৪) ১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড । ৫) ২০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড।

বর্তমান অর্থনীতিতে তারল্যের আধিক্যের কারণে ট্রেজারি বন্ডের হার খুবই কম। এই হার ৫% থেকে ৯% এর মধ্যে উঠানামা করে।। ট্রেজারি বিল হল একটি মানি মার্কেট প্রোডাক্ট আর ট্রেজারি বন্ড হল একটি ক্যাপিটাল মার্কেট প্রোডাক্ট। এদের মধ্যে মূল পার্থক্য হল ট্রেজারি বিল স্বল্পমেয়াদী এবং ট্রেজারি বন্ড দীর্ঘমেয়াদী।

ট্রেজারি বিল কত দিনের জন্য ক্রয় করা যায়?

২৮ দিন, ৯১, ১৮২ দিন, ৩৬৪ দিন, ২ বৎসর এবং ৫ বৎসর মেয়াদি ট্রেজারি বিল হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি ট্রেজারি বিলের প্রধান সংরক্ষণকারী বিলগুলো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী নিলামে বিক্রি করা হয়।

The post গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বিল ও বন্ড ২০২৩ । যে কারণে আপনি ট্রেজারি বিল বা বন্ডে বিনিয়োগ করবেন appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%97%e0%a6%ad%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2/feed/ 0
মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর নিয়ম ২০২৩ । সঞ্চয়পত্র ভাঙতে কেমন সময় লাগতে পারে? https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9e/ https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9e/#respond Wed, 01 Feb 2023 16:08:04 +0000 https://banksbd.xyz/?p=2737 বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র মাত্র ১

The post মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর নিয়ম ২০২৩ । সঞ্চয়পত্র ভাঙতে কেমন সময় লাগতে পারে? appeared first on Tricksboss.

]]>

বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্র মাত্র ১ কর্মদিবসে ভাঙ্গানো যায় – অন্যান্য ব্যাংক গুলো হতে প্রায় ৩ কর্মদিবস লেগে যায় – মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর নিয়ম ২০২৩

যে কোন সময় ভাঙ্গাতে চাইলে কি কিনবেন?– সরকার জনগণের নিকট হতে দুটি নিরাপত্তার ভিত্তিতে অর্থ গ্রহণ করে থাকে। একটি সঞ্চয়পত্র এবং অন্যটি ট্রেজারি বন্ড বা সরকারি বন্ড। বন্ড হস্তান্তর যোগ্য এবং যে কোন সময় ভাঙ্গানো বা হস্তান্তর করা যায়।

ভাল মুনাফার আশায় টিআইএন সার্টিফিকেট এবং রিটার্ণ দাখিলের রশিদ দাখিল করেও আমরা সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকি। প্রয়োজনের সময় চাইলে একটি আবেদন দিয়ে সাথে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের রশিদ ও সঞ্চয়পত্র ক্রেতা ও নমিনি ছবি সহ রেজিস্ট্রেশন কপি এবং এনআইডি কপি জমা দিয়ে ভেঙ্গে ফেলতে পারি। ব্যাংক বা ডাকঘর যেখানেই কিনুন না কেন আপনাকে ক্রয়কেন্দ্রেই সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর আবেদন করতে হবে। নমুনা ফর্ম এখান থেকে সংগ্রহ করুন। মেয়াদপূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র সম্পূর্ণ/ আংশিক নগদায়ন সংক্রান্ত আবেদনপত্র নমুনা।

আপনার কাছে টাকা আছে? হ্যাঁ তাহলে বসিয়ে রাখবেন কেন? আপনি চাইলেই বিনিয়োগ করে ফেলতে পারেন। সঞ্চয়পত্রে এখনও ১১.৫২% মুনাফা পাওয়া যায়। যেখানে ব্যাংক সঞ্চয়ে মাত্র ২-৩%। হ্যাঁ আপনি বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে সঞ্চয়পত্র নগদায়নের ক্ষেত্রে ঐ বছরের জন্য কোন মুনাফা পাবেন না। আবার প্রথম বছরই যদি ১১ মাস পূর্তিতে জরুরি ভিত্তিতে অর্থ উত্তোলন করেন কোন মুনাফাই পাবেন না বরং ১-২০০ টাকা ব্যাংক চার্জ যাবে।

সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গালে ব্যাংক কিছু অর্থ চার্জ করে থাকে / নির্ধারিত হার অনুসারেই মুনাফা পুন:নির্ধারণ করা হয়।

সরকার বিভিন্ন সময় জনগণ বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সুদে ঋণ নিয়ে খরচ মেটাতে থাকে। দেশের উন্নয়ন, জরুরি প্রয়োজন বা বেতন-ভাতা দিতে সরকার এসব ঋণ নিয়ে থাকে। ট্রেজারি বিল বা বন্ডের মাধ্যমে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। একে সরকারি সিকিউরিটিজও বলা হয়।

সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর নিয়ম ২০২২, সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর আবেদন ফরম, মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর আবেদনপত্রের নমুনা, সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম ২০২২, পরিবার সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম ২০২২, সঞ্চয়পত্র নগদায়ন নিয়ম, অগ্রণী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র, সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর জাবেদা,

Caption: Application form for Sanchaypatro Encashment/ সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর আবেদনের নমুনা PDF

মেয়াদপূর্তির পূর্বে ভাঙ্গালে কি হার প্রযোজ্য হইবে?  নিচের তালিকা অনুসারে ১ম বছরান্তে বা ২য় বছরান্তে বা ৩য় বছরান্তে বা ৪র্থ বছরান্তে মুনাফা প্রযোজ্য হইবে।

সঞ্চয়পত্রে বর্তমান মুনাফার হার

মেয়াপূর্তিতে সঞ্চয়পত্র মুনাফা ২০২৩ । মেয়াদ সম্পন্ন বা পূর্তি না হলে নির্ধারিত রেট প্রাপ্য হইবেন না।

সঞ্চয়পত্র মুনাফার হার ২০২২

মেয়াদ বা সময়ের আগে ভাঙ্গালে কি কোন মুনাফাই পাওয়া যাবে না?

যাবে। তবে অবশ্যই ন্যূনতম ১ বছর অতিক্রম করতে হবে। বিগত ২ বছরে আপনাকে অতিরিক্ত যে (১১.৫২% – ১০%) = ১.৫২% হারে অতিরিক্ত যে পরিমাণ মুনাফা প্রদান করা হয়েছে তা আপনার বিনিয়োগকৃত ৫ লক্ষ টাকা থেকে কর্তন করা হবে। অর্থাৎ টাকার রাখার পর যে হারে মুনাফা পেয়েছেন, মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর কারনে ঐ হারে আর সুদ বা মুনাফা পাবেন না।

The post মেয়াদ পূর্তির পূর্বে সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গানোর নিয়ম ২০২৩ । সঞ্চয়পত্র ভাঙতে কেমন সময় লাগতে পারে? appeared first on Tricksboss.

]]>
https://tricksboss.com/%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%9e/feed/ 0