পেনশনারের নতুন যুগ শুরু– আপনি বেঁচে আছেন কিনা তা খুব সহজেই হিসাবরক্ষণ অফিসের নিকট প্রমানক পাঠাতে পারবেন একমাত্র অ্যাপের মাধ্যমে গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাপ ডাউনলোড করে মোবাইলে ক্যামেরা অন করে ছবি তুলে লাইভ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে পারেন।

পেনশনারদের পেনশন প্রাপ্তির ভোগান্তি লাগবের জন্য গত বছরই সকল পেনশনারকে আইবাস++ ইএফটি’র আওতায় আনা হয়েছে। ফলে এখন আর পেনশন তুলতে হিসাবরক্ষণ অফিসে যেতে হয় না। প্রতিমাসে পেনশন চলে আসে ব্যাংক হিসাবে। প্রতি বছর ১১তম মাসে পেনশনারদের লাইফ ভেরিফিকেশন করতে হয়। পেনশনারগণ যে বেচে আছেন তা দেশের যে কোন হিসাবরক্ষন অফিসের মাধ্যমে Life Verification Process সম্পন্ন করতে হয় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে। Pensioner Verification App। ঘরে বসে লাইফ ভেরিফিকেশন করুন

পেনশনারের ইএফটি করা এনআইডি যেটাই হোক না কেন। আপনাকে ১০ ডিজিটের স্মার্ট কার্ড নম্বরটি এবং ইপিপিও নম্বর ব্যবহার করে অ্যাপে লগিন করতে হবে। লগিন করার পর লাইভ ভেরিফিকেশনে ক্লিক করে ছবি তুলুন। দুবার দুটি ছবি তুললে অটোমেটিক ভেরিফিকেশন সফল হয়েছে মেসেজ দেখাবে এবং পরবর্তী ভেরিফিকেশন মাস ভেসে উঠবে। ১১তম মাসে পেনশনারের লাইভ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি ২০২২

পেনশনারের মোবাইলে আসা EPPO নম্বরটি কোথাও লিখে রাখুন / প্রতি ১১ মাসে একবার এটি প্রয়োজন পড়বে।

ইপিপিও নম্বর ব্যবহার করে এবং এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ইনপুট করে পেনশন ভেরিফিকেশন অ্যাপে প্রবেশ করা যাবে।

Save or Note your EPPO Number

Caption: Respected Pensioner, Your Electronic PPO (EPPO) number is 000067585 Kindly Preserve it. একটি কাগজে লিখে রাখুন যাতে ১১ মাস পর এটি খুজে পান। যদিও মোবাইলে সংরক্ষণ থাকলে কিন্তু কোন কারণে ডিলিট হয়ে গেলে আর খুজে পাওয়া যাবে না।

কিভাবে ঘরে বসে অনলাইনে লাইফ ভেরিফিকেশন করা যাবে?

  1. প্রথমে আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে Pensioner Verification Pension and Fund Management অ্যাপটি ইনস্টল করবেন আপনার স্মার্ট ফোনে। চাইলে আপনি অন্য কারও মোবাইলেও এটি ইনস্টল করতে পারেন।
  2. Open click করে দুটি অপশন পাবেন। মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে এনআইডি স্ক্যান করুন অথবা ১০ ডিজিটের এনআইডি নম্বর বা ১৭ ডিজিটের নম্বর ইনপুট দিয়ে প্রবেশ করুন। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র মোবাইলের ক্যামেরায় ছুবি তুলে বা এনআইডি নম্বর লিখে পরবর্তী ধাপে যাবে।
  3. ২য় ধাপে ১০ ডিজিটের ইপিপিও নম্বর লিখলে হোম পেইজ চলে আসবে আপনার ছবি সহ।
  4. হোম পেইজে ৪ অপশনের মধ্যে লাইভ ভেরিফিকেশন ট্যাপে ক্লিক করুন।
  5. “ছবি তুলতে ক্লিক করুন” এ ক্লিক করলে ছবি তোলার নির্দেশনা আসবে। পরবর্তী ধাপে ক্লিক করলে মোবাইল ক্যামেরা স্বয়ক্রিয়ভাবে চালু হবে। মোবাইলের ক্যামেরায় মুখ বা চেহারা রেখে ১ম ছবি তুলুন।
  6. “পুনরায় ছবি তুলতে ক্লিক করুন” বাটনে ক্লিক করে ২য় ছবি তুলতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেস যাচাই সফল হলে পরবর্তী লাইভ ভেরিফিকেশন তথ্য দেখাবে।
  7. ভেরিফিকেশন তথ্য ট্যাপে ক্লিক করলে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে কিনা বা কোন তারিখে পুনরায় ভেরিফিকেশন করতে হবে সেই তথ্য দেখা যাবে।
  8. ভেরিফেকেশন কাজ শেষ।

অ্যাপ যদি ফেস বা চেহারা চিনতে না পারে তাহলে কি করবো?

যদি আপনি ২টি ছবি তুলেছেন তা যদি স্বয়ক্রিয় পদ্ধতি বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট বা AI ডিটেক্ট করতে না পারে তবে আপনাকে হিসাবরক্ষণ অফিসে স্বশরীরে গিয়ে পেনশনার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। আপনি যদি দুই বার সফল ভাবে অ্যাপে ছবি তুলতে না পারেন “লাইভ ভেরিফিকেশনটি ব্যার্থ হয়েছে” লেখা আসে তবে আপনি অ্যাপের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করতে পারবেন না।

লাইভ ভেরিফিকেশন কি?

সোজাসাপটা কথায় বলতে গেলে লাইভ ভেরিফিকেশন হচ্ছে বেঁচে থাকা নিশ্চিতকরণ। আপনি প্রতি ১১তম মাসে গিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে আপনার NID কার্ড নিয়ে হাজির হবেন। হিসাবরক্ষণ অফিসার আপনার এনআইডি দিয়ে আইবাস++ এ ঢুকে আপনাকে সরাসরি দেখে বেঁচে আছেন এ মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করবেন। তাতেই পেনশন পুনরায় চালু হয়ে যাবে। স্টেপটি খুবই সহজ পেনশনার বা পারিবারিক পেনশনার তার নিজের ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রটি নিয়ে স্বশরীরে হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করে লাইভ ভেরিফিকেশন করিয়ে নিবেন। এনআইডি কার্ডটি অবশ্যই সেই এনআইডি কার্ড হতে হবে যেটি আপনি পেনশন ইএফটি করনের সময় জমা দিয়েছেন। ধরুন আপনি আপনার পুরাতন বা সাধারণ এনআইডি দিয়ে ইএফটি চালু করেছেন, পরবর্তীতে আপনি স্মার্ট এনআইডি কার্ড পেয়েছেন, আপনাকে অবশ্যই পুরাতন এনআইডি কার্ডটি-ই সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

১১তম মাসে পেনশনারের লাইভ ভেরিফিকেশন পদ্ধতি ২০২২