নবম পে-স্কেল প্রজ্ঞাপনের দাবিতে চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীদের আলটিমেটাম
জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত নবম পে-স্কেল অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারীরা। দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি, ২০২৬) বিকেল ৫টায় রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আলটিমেটাম দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনের মূল চিত্র
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মোঃ আজিম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, “বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় বেতন কমিশন যে সুপারিশ প্রদান করেছে, তা বাস্তবায়নে অযৌক্তিক বিলম্ব করা হচ্ছে। এর ফলে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।”
লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোক্তার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বেতন কমিশনের সুপারিশ ফাইলবন্দি হয়ে থাকায় সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
বক্তাদের প্রধান দাবি ও বক্তব্য
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেন:
অযৌক্তিক বিলম্ব: বেতন কমিশনের সুপারিশ জমা হওয়ার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়াকে ‘অন্যায্য’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
জীবনযাত্রার সংকট: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে পুরনো স্কেলে বেতন দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি: অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারি না করা হলে সারা দেশে একযোগে কঠোর কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
“আমাদের দাবি না মানলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব। নবম পে-স্কেল আমাদের দয়া নয়, এটি আমাদের ন্যায্য অধিকার।” — নেতৃবৃন্দ
উপস্থিতি ও সংহতি
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সবাই একযোগে স্লোগান দেন— ‘নবম পে-স্কেল এখনই চাই’। উপস্থিত কর্মচারীরা তাদের দাবির সপক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

