সুস্থ থাকার চেষ্টা জরুরি, তবে কোনো স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই…
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান এড়িয়ে চলা, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং সুষম
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রধান লক্ষ্য হলো রক্তে শর্করার মাত্রা বা সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এর জন্য কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন শাকসবজি, আস্ত শস্য, এবং প্রোটিন গ্রহণ করা প্রয়োজন। চিনিযুক্ত পানীয়, সাদা চাল, ময়দা, প্রসেসড খাবার এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে।
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান এড়িয়ে চলা, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং সুষম
হার্ট অ্যাটাক এমন একটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি, যেখানে কয়েক মিনিটের দেরিও হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। বুকের চাপ বা
সকালে সেদ্ধ ডিম কেন খাবেন? জেনে নিন স্বাস্থ্য উপকারিতা দিনের শুরুটা স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে করলে সারাদিন শরীর থাকে কর্মক্ষম। পুষ্টিবিদদের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি “ফ্যাট অ্যাডাপটেশন” এবং “ড্রাই ফাস্টিং” (পানি ও খাবার ছাড়া নির্দিষ্ট সময় উপবাস) নিয়ে একটি খাদ্যাভ্যাসভিত্তিক পরামর্শ ব্যাপকভাবে
সুস্থ ও সতেজ জীবনের জন্য পর্যাপ্ত এবং মানসম্মত ঘুম সবার জন্যই অপরিহার্য। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ঘুমের গুরুত্ব আরও অনেক
আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন অনেক খাবার রয়েছে, যা আমরা সুস্থ থাকার জন্য বা পেট ভরানোর জন্য খাই। কিন্তু আমরা কি
আমরা অনেকেই ডায়াবেটিস নিয়ে প্রতিনিয়ত সচেতনতা অবলম্বন করি। কিন্তু ডায়াবেটিস হওয়ার ঠিক আগের ধাপটি নিয়ে আমাদের ভাবনার যেন শেষ নেই,
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু মিষ্টি বা চিনি এড়িয়ে চলাই যথেষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের সময়, পরিমাণ, ধরন এবং দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের ছোট
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা, যা শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গেই প্রভাব ফেলতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকের মধ্যেই একটি সাধারণ ও