সর্বশেষ নিউজ

বিন্দুবাসিনী ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬ । কোন কোন ক্লাসে বিন্দু বাসিনীতে ভর্তি হওয়া যায়?

টাঙ্গাইলে ভাল সরকারি স্কুল কোনটি? – টাঙ্গাইল সদরের ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিন্দু বাসিনী স্কুলের অবস্থা প্রথমে আসে  – বিন্দুবাসিনী ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬

টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী স্কুল ২০২৬ – বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি টাঙ্গাইল সদরে ১৮৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ সালে বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের সেরা উচ্চ বিদ্যালয় হবার খেতাব অর্জন করে। বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ছেলেদের শিক্ষা দেয়া হয় এবং পরে তারা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা মান্না তার মাধ্যমিক জীবন এইখানেই শেষ করেন।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি টাঙ্গাইল সদরে ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি (মহানগরী ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ডিজিটাল লটারি পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রম নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে– সারাদেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া ২০২৩

লটারি হওয়ার পরবর্তী কার্যক্রম ২০২৬ কি? ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি (সকল) ও বেসরকারি (মহানগরী ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায়) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এন্ট্রি শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনের বিপরীতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া যথাক্রমে ১২/১২/২০২৬ খ্রি. ও ১৩/১২/২০২৬ খ্রি. অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনলাইনে আবেদন ছাড়া এসব স্কুলে ভর্তি হওয়া যাবে না / ম্যানুয়াল আবেদন ফরম নেই। আপনাকে অনলাইনেই আবেদন করতে হবে। ফলাফল অনুযায়ী লটারি হবে।

টাঙ্গাইল যে কোন স্কুলে ভর্তি হতে হলে আপনাকে জানতে হবে সরকারি স্কুলে যে কোন সময় যে কোন শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া যায় না। চলুন দেখে নিই বিন্দুবাসিনী স্কুলে কোন কোন শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া যায়। বয়েজে ৬ষ্ঠ শ্রেণী এবং ক্লাস এইট এ ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে গার্লস এ ১ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া যায়। আপনাকে ভর্তির জন্য অবশ্যই অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

TangailBashailBashail gobindo pilot govt. high school6,8
TangailBhuapurBhuapur govt. pilot high school6
TangailDelduarDelduar syed abdul jabbar govt. high school6
TangailGhatailGhatail gano pilot high school6
TangailGopalpurSuti v.m. pilot model govt. high school6
TangailKalihatiKalihati r.s. govt. pilot high school6
TangailMirzapurMirzapur govt. s.k. pilot high school6
TangailModhupurMadhupur rani bhabani model govt. high school6
TangailTangail sadarBindubashini govt. girls’ high school1,6
TangailTangail sadarBindubasini govt. boys’ high school6,8
TangailTangail sadarSantosh islamic university govt. girls’ high school6,8
ThakurgaonPirgonjPirganj banik govt. girls’ high school6
ThakurgaonRanishonkoilNekmord alimuddin govt. high school6,7,8,9
ThakurgaonRanishonkoilRanishankoil govt. girls’ high school6,7,8,9
ThakurgaonThakurgaon sadarThakurgaon govt. boys’ high school3
ThakurgaonThakurgaon sadarThakurgaon govt. girls’ high school3

Caption: All over the Bangladesh’s Govt. School List 2022

টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনীর ইতিহাস কি? চলুন স্কুলের ইতিহাস জেনে নিই

  1. ৩ এপ্রিল ১৮৮০ সালে কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী টাঙ্গাইলের একটি সাধারণ বিদ্যালয়কে উচ্চ বিদায়লয়ে উন্নীত করেন।
  2. সেই সময় ময়মনসিংহ জেলার জেলা প্রশাসক গ্রাহাম-এর নামে এর নামকরণ করা হয় গ্রাহাম ইংলিশ হাই স্কুল।
  3. পাঁচ বছর বিদ্যালয়টি অর্থ সমস্যার ভেতর দিয়ে পরিচালিত হবার পর আর্থিক সুবিধার জন্য টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর জমিদার নবাব বাহাদুর নওয়াব আলী চৌধুরী কাছে বিদ্যালয়টি দেয়া হয়।
  4. জমিদার দুই বছর বিদ্যালয়ের পরিচালনার ব্যয়ভার বহন করেন।
  5. ১৮৮৭ সালে টাঙ্গাইলের সন্তোষের ভূম্যধিকারিণী বিন্দুবাসিনী রায় চৌধুরানী বিদ্যালয়টি পরিচালনার ব্যয়ভার নেন।
  6.  তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যালয়ের নাম তার নামনুসারে নামকরণ করা হয়।
  7. ১৯১০ সাল পর্যন্ত তিনি এ বিদ্যালয়ের ব্যয়ভার বহন করেন। একই বছর তিনি একটি ট্রাস্ট গঠন করেন ও ট্রাস্ট সম্পত্তি আকারে তা সরকারের কাছে দেয়া হয়।
  8. এরপর বিদ্যালয়টি সরকারি অর্থ সহায়তায় পরিচালিত হয়।
  9. বিন্দুবাসিনী রায় চৌধুরানীর মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে জমিদার প্রমথ নাথ রায় চৌধুরী ও মন্মথ নাথ রায় চৌধুরী বিদ্যালয়ের স্থান, উদ্যান, নিউ মার্কেটসহ ছাত্রাবাস ও স্টেডিয়াম সংলগ্ন পুকুরের জায়গা বিদ্যালয়ের নামে দান করেন এবং বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করেন।
  10. ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ সালে বিদ্যালয়টিকে জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়ে দ্বৈত শিফট চালু করা হয়।

সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ফলাফল অনলাইনে দেখা যায়?

হ্যাঁ। দেখা যায় –সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন- ২০২৬ লটারির ফলাফল অনলাইনে চেক করা যায়। এজন্য আপনাকে gsa.teletalk.com.bd এই লিংকে প্রবেশ করে Merit List লিস্ট এ ক্লিক করতে হবে। মেরিট লিস্টে আপনার সন্তানের নাম না পেলে আপনি 1st Waiting List চেক করবেন। ছাত্র ছাত্রদের কেউ যদি নির্ধারিত বা প্রথম চয়েস অনুসারে ভর্তি না হয় তবে দ্বিতীয় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত মেরিট লিস্ট হতে যদি সিট ফাঁকা থাকে তবে ওয়েটিং মেরিট লিষ্ট হতে ভর্তি হওয়া যাবে।

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য সাধারণত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হয়। বিগত বছরগুলোর ধারা এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যে ক্লাসগুলোতে ভর্তি হওয়া যায় তার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

ভর্তির শ্রেণি সমূহ

বিন্দুবাসিনী বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ে সাধারণত নিচের শ্রেণিগুলোতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়:

  • বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: সাধারণত ১ম শ্রেণি এবং ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলে। অন্যান্য শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে (যেমন- ৭ম বা ৮ম) মাঝেমধ্যে সীমিত আকারে ভর্তির সুযোগ থাকে।

  • বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়: এখানে মূলত ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে সবথেকে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এছাড়া আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ৭ম, ৮ম বা ৯ম শ্রেণিতেও ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।


ভর্তি প্রক্রিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১. নির্বাচন পদ্ধতি: বর্তমানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে ডিজিটাল লটারি বা অনলাইন ড্র-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। ২. আবেদন মাধ্যম: সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সরকারি ওয়েবসাইট gsa.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। ৩. বয়স সীমা: ১ম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ১ জানুয়ারি তারিখে নূন্যতম ৬+ বছর হতে হবে। অন্যান্য শ্রেণির ক্ষেত্রে বয়স জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ৪. শিফট: এই দুটি স্কুলেই প্রভাতি (Morning) এবং দিবা (Day) দুটি শিফটে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তি এবং আসন সংখ্যা সাধারণত ২০২৫ সালের শেষ দিকে (অক্টোবর/নভেম্বর মাসে) প্রকাশিত হবে। সঠিক সময়ে আপডেট পেতে আপনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (DSHE) ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চেক করতে পারেন।

admin

আলামিন মিয়া, একজন ব্লগার, ডিজিটাল মার্কেটার, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার। ব্লগিংকরছি প্রায় ৭ বছর যাবৎ। বিভিন্ন অনলাইন সেবা হাতের কাছে পেতে নির্দেশনা ও পদ্ধতি গুলো ব্যাখ্যা করা হয় যা আপনি খুব সহজেই এই ওয়েবসাইট হতে পেতে পারেন। যদি অতিরিক্ত কোন তথ্য প্রয়োজন হয় বা পরামর্শ থাকে তবে মেইল করুন admin@tricksboss.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *