আয়কর মেলা ২০২৩ । আয়কর মেলা ২০২৩-২০২৪ কবে হবে?

ইতোপূর্বে ২০১৫ সাল হতে কর মেলা উদযাপিত হয়েছে- কর মেলায় কর প্রদানকারীদের ব্যাগ, ট্যাক্স ম্যানুয়াল প্রদান করা হতো এবং সহজে রিটার্ন দাখিল করা যেত– আয়কর মেলা ২০২৩

এ বছর কি কর মেলা হবে না? – না। সাধারণ করদাতাদের মাঝে আগ্রহ থাকলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবারও আয়কর মেলার আয়োজন করছে না। এর পরিবর্তে সেবা মাস (১-৩০ নভেম্বর) উদযাপন করা হবে। আয়কর অফিস এবং অনলাইনেই রিটার্ন দাখিল করতে হবে। সূত্র যুগান্তর

সেবা মাসে মেলার আবহে করদাতারা যেন রিটার্ন জমা দিতে পারেন, সে বিষয়ে এনবিআর ইতোমধ্যে কর অঞ্চলগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। করদাতাদের সুবিধার্থে কর অঞ্চলগুলোয় রিটার্ন গ্রহণ বুথ, ফর্ম বিতরণ, হেল্প ডেস্কসহ সব ধরনের সেবা দেওয়া হবে। জাতীয় আয়কর দিবস উদ্যাপনে গঠিত কমিটির সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশে কর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ২০১০ সালে সর্বপ্রথম ঢাকা ও চট্টগ্রামে আয়কর মেলার আয়োজন করে এনবিআর। শুরুতে সাড়া না পাওয়া গেলেও পরবর্তী সময়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের কাছে এ মেলা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিবছর করদাতাদের বড় অংশ মেলায় রিটার্ন দিতেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত মেলা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।

চলতি বছর কর মেলা হবে না / কর মেলা আয়োজন করছে না এনবিআর কর্তৃপক্ষ

আয়কর মেলা নিয়ে সাধারণ করদাতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের কারণ, মেলায় হয়রানি ছাড়াই রিটার্ন জমা দেওয়া যেত। তাছাড়া একই জায়গায়ই রিটার্ন ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে কর পরিশোধের টাকাও জমা দেওয়া যেত। কর কর্মকর্তারাও মেলায় কর দিতে আসা করদাতাদের বেশ সহযোগিতা করতেন।

সাধারণ করদাতাদের মাঝে আগ্রহ থাকলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবারও আয়কর মেলার আয়োজন করছে না। এর পরিবর্তে সেবা মাস (১-৩০ নভেম্বর) উদযাপন করা হবে।

Caption: tax mela

আয়কর মেলার সেবা সম্পর্কিত তথ্যাদি ২০২৩ । কর মেলায় কি কি সুবিধা পাওয়া যেত?

  1. নির্ধারিত উপজেলা শহরে ১৬-২২এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত যে কোন ২ বা ১ দিন যথাক্রমে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ মেলা অনুষ্ঠিত হত।
  2.   সম্মানিত করদাতাগণ আয়কর মেলায় তাঁদের করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারতেন। করদাতাগণের কর তথ্য ও সব ধরনের সেবা সহজে পাবার জন্য আয়কর মেলায় ঢাকার প্রতিটি কর অঞ্চলের জন্য পৃথক বুথ স্থাপিত হত।
  3.   মেলায় e-TIN রেজিস্ট্রেশন বুথে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানসাপেক্ষে নতুন করদাতাগণ TIN রেজিস্ট্রেশন ও বর্তমান করদাতাগণ রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারতেন।
  4.   মেলায় মহিলা, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ করদাতাদের জন্য পৃথক কাউন্টার থাকত। করদাতাগণ মেলায় স্থাপিত সোনালী ও জনতা ব্যাংকের বুথে তাঁদের আয়কর জমা দিতে পারতেন।  
  5. করদাতাগণকে রিটার্ন পূরণে সহায়তার জন্য মেলায় Help Desk থাকতো।  
  6. মেলায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে শুল্ক, ভ্যাট এবং সঞ্চয় অধিদপ্তরের পৃথক বুথ আছে যাতে মেলায় আগত করদাতাগণ শুল্ক, ভ্যাট এবং সঞ্চয় অধিদপ্তর সংক্রান্ত যে কোন তথ্য জানতে পারতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *