পুরোনো গাড়ি ২০২৩। পুরোনো গাড়ি কেনার আগে কোন কোন কাগজপত্র গুলো জানা জরুরী

পুরোনো গাড়ি কেনার আগে কি কি করবেন 

 

গাড়ি যখন দেখতে যাবেন, সবার আগে গাড়ির কাগজ নিবেন এবং গাড়ির চেসি নাম্বার, ইঞ্জিন নাম্বার, সিএনজি/এলপিজি র ক্ষেত্রে সিলিন্ডার ফিটনেস দেখে নিবেন। যদি পেপার ফেইল নিয়ে আপনার ইস্যু না থাকে তাহলে স্কিপ। যার কাছ থেকে মালিক বা দালাল, কিনছেন, তাকে জিজ্ঞেস করুন বিক্রির কারন, তিনি কবে কিনেছেন, কার কাছ থেকে কিনেছেন, কি কি সার্ভিস/রিপ্লেস করেছেন এবং কবে রং করেছেন, দরকার হলে মানি রিসিট দেখতে চাবেন।

 

 

১. Exterior ,body

গাড়িতে এক্সিডেন্ট হিস্ট্রি জিজ্ঞেস করুন, সত্যি বললেতো ভালো, নাহলে প্রথমে গাড়ির ইঞ্জিন বে র দুইপাশের এবং সাম্নের ফ্রেম চেক করুন সেই সাথে কার্গো স্পেসের ২ পাশের ফ্রেম চেক করুন।

একটু কষ্ট করতে হবে, কয়েক ফোটা কপালের ঘাম আপনার লাখ টাকা সেভ করতে পারে, তাই গাড়ি থেকে ফ্লোর ম্যাট বের করে তাতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে গাড়ির নিচের চেসি, জ্যাকিং ফ্রেম এবং সাবফ্রেম চেক করুন চিত্র। পেটের জন্য বসতে সমস্যা হলে হাতের মোবাইলের ক্যামেরা অন করে ভিডিও করে সেটা দেখুন। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, একদম এক্সট্রিম লেভেলের এক্সিডেন্ট মানে পল্টি না খাইলে বা সাইড থেকে মেরে উড়ায় না দিলে সাধারনত চেসি বা ফ্রেম অত সহজে বাকায় না। আমাদের দেশের স্পীড ব্রেকারগুলা আখাম্বা সাইজের হয়, সেসবে ঘষা বা গুতো লেগে অনেক সময় ফ্রেম ট্যাপ খেতে পারে, এ এই ফ্রেম এবং চেসি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই এখানে ভালোভাবে সময় নিন।

গাড়ির মাইলেজ চেক করুন। একটা ওয়েল মেন্টেউন্ড গাড়ি ২-২.৫ লাখ কিলো কিচ্ছু হয় না। সুতরাং এর উপরে হলে তখন পার্ফরম্যান্সে ভালোভাবে খুটিয়ে দেখবেন।

সিটি এবং হাইওয়েতে লিটারে কতো কিলো যায় জিজ্ঞেস করুন। গাড়ির রং চেক করুন দরজার চিপার সাথে বডির। পার্থক্য থাকতে পারে যেহেতু

পুরোনো গাড়ি সো ইটস ফাইন। দরজার হ্যান্ডেল চেক করুন।

দরজা খুলতে বন্ধ করতে আওয়াজ করে কিনা গাড়ি যখন দেখতে যাবেন, সবার আগে গাড়ির কাগজ নিবেন এবং গাড়ির চেসি নাম্বার, ইঞ্জিন নাম্বার, সিএনজি/এলপিজি র ক্ষেত্রে সিলিন্ডার ফিটনেস দেখে নিবেন। যদি পেপার ফেইল নিয়ে আপনার ইস্যু না থাকে তাহলে স্কিপ। যার কাছ থেকে মালিক বা দালাল, কিনছেন, তাকে জিজ্ঞেস করুন বিক্রির কারন, তিনি কবে কিনেছেন, কার কাছ থেকে কিনেছেন, কি কি সার্ভিস/রিপ্লেস করেছেন এবং কবে রং করেছেন, দরকার হলে মানি রিসিট দেখতে চাবেন। বডি ফ্রেম ভালোভাবে মিলে কিনা

হেড লাইট, ব্র‍্যাক লাইট, ইন্ডিকেটর এবং ব্যাক লাইট ভাংগা কিনা এবং ঠিকমতো জ্বলে কিনা দেখুন।

লুকিং গ্লাসের কি অবস্থা দেখুন।

পাওয়ার মিরর কাজ নাও করতে পারে, করলে ভালো।

 

২. Interior ,Decoration

স্টিয়ারিং চেক সব সুইচ চেক এসি অন করে রাখুন

ডোম লাইট সব জ্বলে?

সান প্রটেক্টরগুলা ঠিক আছে কিনা।

ড্রাইভার সাইডের সুইচ দিয়ে সবকটা জানালা খুলে দাও না হয় কি না দেখুন।

আলাদাভাবে দরজার সুইচগুলো দিয়ে জানালা উঠে নামে?

দরজার লক, আনলক ঠিকমতো হয় কিনা দেখুন।

সিটগুলো চেক করুন, উঠে নামে? আগায় পিছায়?ফ্লোর কার্পেট চেক করুনগ্লাভ বক্সসিলিং চেক করুন

পুরোনো গাড়ি, তাই দরজায় কাজের জন্য স্ক্র‍্যাচ থাকবে, বারবার বলছি, সুন্দর ইন্টেরিওর এর চেয়ে জানালা কাজ করে কিনা সেটা জরুরী।

 

৩. External, performance

খুব মনযোগ দিয়ে এই অংশ গুলো পড়ুন। যেহেতু গাড়ি আগেই চালু রেখেছেন তাই আবার হাঁটু গেড়ে বসুন একেবারে গাড়ির সামনে। দেখুন ইঞ্জিন বা ট্রান্সমিশন দিয়ে কোন ওয়েল লিক করে ড্রপ করছে কিনা। এমন দেখলে চুপ চাপ কেটে পড়ুন যদিনা গাড়ি বিক্রির অফার value for money হয়।

৪টা শক এব্জর্ভার ,সকেট জাম্পার নারে ভাই লিক আছে কিনা দেখুন।

ইঞ্জিন বে তে কোন ধরনের লিক, মানে একেবারে চ্যাটচ্যটে ভেজা ভেজা কিনা দেখুন। অনেক সময় গাড়িতে কাজ করা যেমন পাওয়ার স্টিয়ারিং ফ্লুইড চেঞ্জ, কুল্যান্ট চেঞ্জ, সেসবের সময় হালকা ভিজে, সেক্ষেত্রে ভেজার দাগ থাকবে, টপটপ করে পড়বেনা। দাগ, হালকা ভেজা ওকে, গড়িয়ে না পড়লেই হলো। ইল্যাক্ট্রিকাল লাইনগুলা কাটা ফাটা আছে কিনা দেখুন। ৩-৪ টা ইঞ্জিন মাউন্টিং গুলা চেক করুন ফাটা কিনা। হালকা ফাটা সমস্যা না হলেও বেশি ফাটা হলে ইঞ্জিন ভাইব্রেট করবে।

 

৪. Internal ,performance

ইঞ্জিন চালু অবস্থায় এবং আইডল অবস্থায় কোন ধুয়া আসছে কিনা দেখুন।

সাদা ধুয়া হেড গ্যাস্কেট গেসে বা ইঞ্জিন ব্লক/হেড ক্র‍্যাক, যেকারনে কুল্যান্ট গিয়ে সিলিন্ডারে ঢুকতেসে

নিল ধুয়া পিস্টন রিং, ভালভ স্টেম সিল গেসে, তাই ইঞ্জিন ওয়েল সিলিন্ডারে ঢুকতেসে কালো ধুয়া রিচ মিক্সচার, মানে এয়ার থেকে ফুয়েল বেশি যাচ্ছে সিলিন্ডারে। সাধারনত ক্লগ এয়ার ইন্টেক বা লিকিং ফুয়েল ইঞ্জেক্টর সমস্যা এগুলা। গাড়ি টেস্ট ড্রাইভে নিয়ে দেখবেন ইঞ্জিন মিস ফায়ার আছে কিনা, হাই আরপিএমে এটা ভালো ধরতে পারবেন, গাড়ি কাশি দিবে।

আইডল প্রব্লেম আছে কিনা দেখবেন।

চালানোর সময় ভাইব্রেট করছে কিনা দেখবেন

গর্তের উপর দিয়ে চালিয়ে দেখবেন সাস্পেনশন সিস্টেম ঠিক আছে কিনা। যত্ন করে চালাইয়েন, যেহেতু অন্যের গাড়ি। গান ছেড়ে দেখবেন সব সাউন্ড বক্স বাজে কিনা। ফুল ডানে বা বামে ঘুরানোর সময় খেয়াল করবেন কটকট করে শব্দ হচ্ছে কিনা, তাহলে সিভি জয়েন্টে সমস্যা আছে।

চালানোর সময় খেয়াল করুন গিয়ার স্মুথলি শিফট হচ্ছে কিনা

 

পুরোনো গাড়ি কেনার যে যে কাগজপত্র জানা জরুরি 

 

গাড়ির ডকুমেন্ট 

প্রথমে গাড়ির সম্পত্তির ডকুমেন্টস পরীক্ষা করুন। গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পেপার, ট্রান্সফার পেপার, ট্যাক্স পেপার এবং ইনসিওরেন্স পেপারগুলি পরীক্ষা করে নিন। সম্ভবত গাড়ির সম্পত্তি অন্য কোন ধরণের সমস্যা না থাকায় তারা সঠিক এবং আপডেটেড হওয়া উচিত।

 

বহির্গমন চেক

গাড়ির সাধারণ বহির্গমন পরীক্ষা করুন। কাপড়ের স্থিতি, অপসারণের অগ্রাধিকার, চামড়ার কন্ডিশন, শিঙ্কগুলির উপস্থিতি এবং চাকার স্থিতিতে যেসব ক্ষত রয়েছে তা চেক করুন। যদি প্রয়োজন হয়, পেইন্টের উপর চাকা নামক কোন সাইন থাকা উচিত এবং সামগ্রিকভাবে বহির্গমন ভালো অবস্থায় থাকা উচিত।

ইঞ্জিন চেক

গাড়ির ইঞ্জিন ডকোমেন্ট আছে কি না

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *