বিদেশ যাওয়ার নিয়ম ২০২৩। কম খরচে কি করে সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়া যায়?

বিদেশ যাওয়ার নিয়ম সরকারি ভাবে কম খরচে 

 

 

১। বৈধ ভাবে বিদেশ যাওয়ার নিয়ম  

বিদেশে যাওয়ার নিয়ম এবং নির্দেশনা সরকারের আইন এবং বৈধ আবেদনের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, এবং এটি আপনার গন্তব্য দেশের নিয়মাবলী ও ভিসা প্রক্রিয়ার সাথেও সম্পর্কিত। নিম্নলিখিত কিছু সাধারণ নির্দেশনা রয়েছে

গন্তব্য দেশের ভিসা- আপনি যে দেশে যাচ্ছেন তার ভিসা সম্পর্কে জেনে নিন। বেশিরভাগ দেশে ভিসা প্রয়োজন হয়, এবং তা পেতে আপনি সাক্ষরিক আবেদন করতে হবে।

পাসপোর্ট- আপনার পাসপোর্ট যদি এখনো মেয়াদ থাকে তাহলে নতুন পাসপোর্ট নিয়ে যান এবং মেয়াদ না সম্পূর্ণ হওয়া আপনার পাসপোর্ট নম্বর এবং ভ্যালিডিটি চেক করে নিন।

আবেদন দফা- ভিসা আবেদন দফা সঠিকভাবে পূর্ণ করুন, এবং আপনার সমস্ত নথি এবং দরকারী ডকুমেন্টস সম্প্রদান করুন।

যাত্রা স্বাস্থ্য সুরক্ষা- কোভিড19 সংক্রমণের সময়, আপনাকে গন্তব্য দেশের যাত্রা সুরক্ষা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হতে পারে, যেমন কোয়ারেন্টাইন বা করোনা টেস্ট প্রয়োজনীয়তা।

ভাষা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা- গন্তব্য দেশের ভাষা ও সাংস্কৃতিক নীতিগুলি সম্পর্কে জেনে নিন, এবং আপনার যাত্রার সময় সেই নীতিগুলির মধ্যে সম্মান অবলম্বন করুন।

যাত্রার জন্য সময় পরিধি- ভিসা প্রক্রিয়া সময় নেবে তা ধরে নিন, এবং যাত্রার আগে সমস্ত ডকুমেন্টস এবং ভিসা প্রাপ্তির স্থিতি চেক করুন।

বৈদ্যুতিন এবং মোবাইল যাত্রার যত্ন- যাত্রা সময় আপনি বৈদ্যুতিন এবং মোবাইল যত্ন নেবেন, যেতে এবং যাত্রা সময় যোগাযোগ করতে।

 

২। বিদেশ যাওয়া সময় কি কি সাথে থাকতে হবে? এবং কি জেনে নিতে হবে?

বিদেশে যাওয়ার নিয়ম সাধারণভাবে তা তা থাকতে হবে তা নিম্নলিখিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে

 

পাসপোর্ট- আপনি একটি বৈধ পাসপোর্ট আবেদন এবং প্রাপ্ত করতে হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়া না নিশ্চিত করুন।

ভিসা- গন্তব্য দেশের ভিসা সম্পর্কে জেনে নিন এবং এটি আবেদন করুন যদি প্রয়োজন হয়। ভিসা প্রক্রিয়া প্রকেশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, তাই সময়ে প্রয়োজন ভিসা আবেদন জমা দিন।

যাত্রা দফা ও বৈদ্যুতিন যত্ন- আপনার যাত্রা দফা সঠিকভাবে পূর্ণ করুন এবং আপনার ভিসা, পাসপোর্ট, এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস সাথে নেওয়া সময় সমস্ত নির্দেশনা মেনে চলুন। আপনি আপনার যাত্রা দফা সম্পর্কে আপনার প্রাপ্ত গন্তব্যের সংশ্লিষ্ট সূচনা সেকশনে পেতে পারেন।

যাত্রা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা- আপনাকে গন্তব্য দেশের যাত্রা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে হতে পারে, যেমন কোয়ারেন্টাইন বা করোনা টেস্ট প্রয়োজনীয়তা।

যাত্রা সময় সামাজিক নিরাপত্তা আপনি গন্তব্য দেশের সামাজিক নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে হতে পারে, যেমন আপনার ভিসিটর ভিসা বা আবিষ্কার ভিসার ক্ষেত্রে।

বিমানপ্রয়াণ- যদি আপনি বিমানে যাচ্ছেন, তাদের নীতি সাময়িকভাবে পর্যালোচনা করুন, সময়ে ফ্লাইট স্কেডিউল যাচাই করুন এবং স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলুন।

আপনার গন্তব্য দেশের নির্দেশনা অনুসরণ করুন এবং পূর্ণ ডকুমেন্টস সাথে যাত্রা করুন। সাথে নেওয়া সমস্ত আপাতত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের সত্যতা চেক করুন এবং যত্ন নেওয়ার সময় সুরক্ষা মেনে চলুন

 

৩। বিদেশ যাওয়ার জন্য সরকারি কিছু নিয়ম 

বিদেশে যাওয়ার নিয়ম সাধারণভাবে নিম্নলিখিত

ঠিক নিয়মে বিদেশ যাওয়া যায় উপায়ে পরিচালিত হতে পারে।

 

পাসপোর্ট- সবচেয়ে প্রথমে, একটি বৈধ পাসপোর্ট প্রাপ্ত করুন এবং মেয়াদ চেক করুন।

ভিসা আবেদন- আপনার গন্তব্য দেশের নিয়মানুযায়ী যদি ভিসা প্রয়োজন হয়, তাহলে সঠিক ভিসা ধরণ নির্ধারণ করুন এবং সেই ভিসা জন্য আবেদন করুন।

যাত্রা দফা পর্যালোচনা- আপনার গন্তব্য দেশের যাত্রা দফা প্রয়োজন সেগুলি সঠিকভাবে পূরণ করুন। সেই সাথে সাথে এই ডকুমেন্টগুলি সঠিক স্থানে সঠিক সময়ে জমা দিন।

যাত্রা বৈদ্যুতিন যত্ন-  আপনি যদি বৈদ্যুতিন উপায়ে যাচ্ছেন, তাহলে সময়ে ফ্লাইট টিকেট নিশ্চিত করুন এবং স্থানীয় বৈদ্যুতিন ব্যবস্থা নিন।

যাত্রা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা- আপনাকে আপনার গন্তব্য দেশের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে হবে, যেমন কোয়ারেন্টাইন বা কোভিড-19 টেস্ট প্রয়োজনীয়তা।

সাংস্কৃতিক সচেতনতা- গন্তব্য দেশের সাংস্কৃতিক নীতি সম্পর্কে জেনে নিন এবং সেই নীতি মেনে চলুন।

যাত্রার সময় সামাজিক নিরাপত্তা- আপনি গন্তব্য দেশের সামাজিক নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে হতে পারে।

 

৪। বিদেশ যাওয়া জন্য লাগে সরকারি ভাবে খরচ কত?

বিদেশ যাওয়া জন্য সরকারি ভাবে ৫-৬ লাখ টাকা এমনে ৭-৮টাকা লাগ , আসলে সরকারি ভাবে বিদেশ গেলে আপনার মোট কত টাকা খরচ হতে পারে, সেটা কিছু বিভিন্ন বিষয় এর উপর নির্ভর করবে। যেমন, আপনি কোন কাজে বিদেশ যাবেন, কোন দেশে যেতে চান এই যাবতীয় বিষয় গুলোর উপর নির্ভর করবে। তবে স্বাভাবিক ভাবে আপনার ২ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বিদেশে যাওয়া সম্পর্কে সরকারি ভাবে আনুমানিক খরচ হতে পারে। কারণ এটা দেশের সরকারের নীতি এবং বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কিত। সাধারণভাবে, এই ধরনের খরচ ইউভি (বেতন), ভিসা ফি, ট্রাভেল ইনশ্যুরেন্স, এয়ারটিকেট মূল্য, আপনার যাত্রাবাহী খরচ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *