হরতাল কবে ২০২৩ । চলতি সপ্তাহে অবরোধের সময়সীমা দেখুন

বিএনপি সরকারের নির্বাচনী তফসিল বাতিলের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছে – হরতাল কবে ২০২৩

অবরোধ শেষ হবে কবে? চলতি সপ্তাহে ১২/১২/২০২৩ হতে ১৩/১২/২০২৩ পর্যন্ত অর্থাৎ মঙ্গলবার হতে বুধবার সন্ধা পর্যন্ত মোট ৩৬ ঘন্টা অবরোধ চলবে। অবরোধে গাড়ি ও যানবাহন ভাঙ্গচুর অব্যাহত রয়েছে। ছাড়াও বিভিন্ন জেলায় বিএনপি’র মশাল মিছিল ও ঝটিকা মিছিল চলমান আছে তাই জন সাধারণকে সতর্ক থাকা অত্যাবশ্যক।

হরতাল ও অবরোধের পার্থক্য কি? হরতাল হয় সামাজিক, রাজনৈতিক, বা আর্থিক অসন্তোষ বা প্রতিবাদ প্রকাশ করার জন্য। হরতালের উদ্দেশ্য হয়তো কোনো নির্বাচনের বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার জন্য প্রতিবাদ প্রকাশ করা, রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিবর্তনের দাবি করা, বা আর্থিক সমস্যার সমাধানে চোখ রাখা ইত্যাদি হতে পারে। হরতালে সাধারণভাবে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবরোধ প্রদান হয়, যেমন বাজার, স্কুল, কলেজ, অফিস, ট্রান্সপোর্ট, ইত্যাদি।

অবরোধের উদ্দেশ্য সম্প্রদায়, সংস্কৃতি, ধর্ম, ইতিহাস, জনগণের অধিকার, ভাষা, ভূমি, ইত্যাদির প্রতি আত্মসমর্পণ অথবা আদালতি নির্ণয়ের অধীন রয়েছে। এটি মূলত একটি নিরাপদ আদালতি পদক্ষেপ হিসেবে অপরাধী বা অব্যবস্থা অবলম্বনের জন্য করা হয়। অবরোধ সাধারিতভাবে আদালতি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে হয় এবং এটি আদালত কর্মক্ষমতা অবলম্বনের জন্য করা হয়। অবরোধের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অসীম অথবা সীমাবদ্ধ প্রভাব ফেলা হয় না, বরং অদৃশ্য আদালতি কারণে তাদের বিচার হয়। এই দুটি প্রতিবাদকারী অভিযানের মধ্যে একটি সময়ে একটি অথবা একটির সাথে একটির সাথে সম্পর্কিত থাকতে পারে, কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য এবং আচরণে বিশেষ পার্থক্য রয়েছে।

2023 সালে হরতাল কে করেছে ।  বিএনপির অবরোধ কবে?

গণতন্ত্রে এই মৌলিক অংশগুলি মিলে একটি প্রকাশ্য এবং নৈতিক ব্যবস্থা সৃষ্টি করে, যা জনগণের অধিকার এবং স্বাধীনতা রক্ষা করতে সাহায্য করে।

হরতাল কবে ২০২৩ । চলতি সপ্তাহে অবরোধের সময়সীমা দেখুন

Caption: info source

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের কি কি অধিকার থাকে । গণতন্ত্রের মূল অংশ বা বৈশিষ্ট্য গুলি কি?

  1. বৈশিষ্ট্যিক বিধি: গণতন্ত্রে মূলভূত অধিকারগুলি, নীতি ও শাসনের বৈশিষ্ট্যিক বিধিগুলি লক্ষ্য করতে হয়। এগুলি সমাজের মধ্যে একটি ন্যায্য এবং সমাধানগত ব্যবস্থা স্থাপনে সাহায্য করে।
  2. নির্বাচন: গণতন্ত্রে নির্বাচন একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য, যেখানে নাগরিকদের হাতে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হয় এবং নির্বাচন দ্বারা নেতা বা শাসক নির্বাচিত হয়।
  3. বিভাগ বিধান: গণতন্ত্রে শক্তি ও কর্তৃত্ব পৃথক পৃথক করার জন্য বিভিন্ন শাখা এবং প্রতিষ্ঠানের বিভাগবিধান থাকে।
  4. বিচারিক মূল্যাবধি: গণতন্ত্রে সবার জন্য একই বৈষম্য এবং ন্যায্যতা সহিত মৌলিক মূল্যাবধি থাকে।
  5. মিডিয়া ও স্বাধীনতা: গণতন্ত্রে মিডিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এবং মিডিয়ার স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়। মিডিয়া মাধ্যমে লোকগণের মতামত এবং তথ্যের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।

গণতন্ত্র কি?

গণতন্ত্র একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও শাসন পদ্ধতি, যেখানে শাসন এবং কর্তৃত্ব জনগণের হাতে রয়েছে। এটি এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে লোকবল অধিকার প্রভৃতির জন্য ভোট করে এবং রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট পদস্থানে অধিকারী হয়। গণতন্ত্রে শাসনের ক্ষমতা জনগণের হাতে রয়েছে এবং নির্বাচন দ্বারা একজন নেতা বা শাসক অধিকারী হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *