সর্বশেষ নিউজ

সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নতুন নীতিমালা ২০২৬ । প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন যেখানে বাধ্যতামূলক?

সরকারি কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি এবং অনুসরণীয় আনুষঙ্গিক বিষয়াদি নিয়ে একটি সমন্বিত পরিপত্র জারি করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১৯ জুন, ২০১১ তারিখে মুখ্য সচিব মোঃ আবদুল করিম স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রের মাধ্যমে আগের এ সংক্রান্ত সকল প্রজ্ঞাপন ও আদেশ বাতিল করা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন যাদের জন্য আবশ্যক

পরিপত্রের ১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন প্রয়োজন হবে:

  • মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং তাঁদের সমপর্যায়ভুক্ত কর্মকর্তাবৃন্দ

  • সরকার গঠিত বিভিন্ন কমিশনের চেয়ারম্যানগণ (সাংবিধানিক পদ ব্যতীত)

  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব বা ভারপ্রাপ্ত সচিব এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ

  • অধিদপ্তর প্রধান এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার ১ ও ২ নং বেতন স্কেলভুক্ত প্রধান নির্বাহীগণ

  • সরকারের অতিরিক্ত সচিববৃন্দ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরগণ

  • বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং পুলিশ সুপার (এসপি)

অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ

জাতীয় বেতন স্কেলের ৩ থেকে ৫ নং স্কেলভুক্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর অনুমোদন প্রয়োজন হবে তবে ৬ থেকে ৯ নং স্কেলভুক্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব অথবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব অনুমোদন প্রদান করতে পারবেন এছাড়া অন্যান্য কর্মচারী ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা বিভাগীয় কমিশনারদের অনুমোদনের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে

বিদেশ ভ্রমণে বিশেষ নির্দেশনা ও কড়াকড়ি

নীতিমালায় সরকারি অর্থ সাশ্রয় এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

  • যুগ্ম সফর পরিহার: কোনো মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সচিব সাধারণত একসাথে বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না এছাড়া সচিবের সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব বা অধীনস্থ সংস্থা প্রধানের একত্রে বিদেশ ভ্রমণও পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

  • ভ্রমণের সীমা: সচিব বা ভারপ্রাপ্ত সচিবগণ সরকারি কাজে বছরে সর্বোচ্চ ৪ (চার) বার বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন জাতীয় স্বার্থে এর ব্যতিক্রম হলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও যৌক্তিকতা দর্শাতে হবে

  • প্রাধিকার: সেমিনার বা ওয়ার্কশপের ক্ষেত্রে সচিবদের পরিবর্তে কনিষ্ঠ বা মধ্যম সারির কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে

  • স্পাউসের ভ্রমণ: বিদেশ ভ্রমণকালে স্বামী বা স্ত্রী (স্পাউস) সাথে গেলে তাঁর জন্যও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে তবে এই ভ্রমণে কোনোভাবেই সরকারি বা ঋণের অর্থ ব্যয় করা যাবে না

প্রতিবেদন দাখিল

বিদেশ ভ্রমণ শেষে দেশে ফেরার পর সংশ্লিষ্ট সচিবকে বিস্তারিত প্রতিবেদন মন্ত্রীর নিকট পেশ করতে হবে এছাড়া প্রতি তিন মাস অন্তর সকল বৈদেশিক ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে

বিস্তারিত এখানে দেখুন

admin

আলামিন মিয়া, একজন ব্লগার, ডিজিটাল মার্কেটার, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার। ব্লগিংকরছি প্রায় ৭ বছর যাবৎ। বিভিন্ন অনলাইন সেবা হাতের কাছে পেতে নির্দেশনা ও পদ্ধতি গুলো ব্যাখ্যা করা হয় যা আপনি খুব সহজেই এই ওয়েবসাইট হতে পেতে পারেন। যদি অতিরিক্ত কোন তথ্য প্রয়োজন হয় বা পরামর্শ থাকে তবে মেইল করুন admin@tricksboss.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *