লাইভ বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টেক ব্রেকিং
সড়ক পরিবহন বিধিমালায় বড় পরিবর্তন, গাড়ির সামনের নম্বরপ্লেট নিয়েও নতুন নির্দেশনা এসএসসি-এইচএসসি ফলাফলে বড় পরিবর্তন, দুই বছরেই কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মিটার ও বিলের সমস্যা সমাধানে যা জানা প্রয়োজন Android AuthorityPixel Buds Pro 2 একটি বড় $৬০ Amazon ছাড় পাচ্ছে 9to5Googleপিক্সেল ওয়াচ ৫ অ্যামাজনে সর্বকালের কম দামে আঘাত করেছে BBC Technologyইউএস টেক স্টকগুলি এআই খরচ উদ্বেগের উপর তীব্র পতন দেখে Android Authorityকোয়ালকমের জন্য বড় ধাক্কা? এই আসন্ন আল্ট্রা ফ্ল্যাগশিপ স্ন্যাপড্রাগন ফ্ল্যাগশিপ SoCs এড়িয়ে যেতে পারে বাংলা ট্রিবিউনইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো চুরির নেপথ্যে উ. কোরিয়া? জাগো নিউজ২০ বছর আগে চুরি হওয়া ১৭ শতকের চিত্রকর্ম উদ্ধার করলো এআই 9to5Googleগুগল বলেছে যে অ্যান্ড্রয়েড অটো ভিডিও অ্যাপগুলি এখনও ‘শীঘ্রই আসছে’ সময়সীমা কাছাকাছি

হারিয়ে গেছে জমির দলিল? যেভাবে তুলবেন সার্টিফাইড কপি (নকল)

হারিয়ে গেছে জমির দলিল?
হারিয়ে গেছে জমির দলিল? যেভাবে তুলবেন সার্টিফাইড কপি (নকল) ছবি: Tricksboss

জমি কেনাবেচা, ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ কিংবা আদালতে মালিকানার প্রমাণ হিসেবে জমির মূল দলিলের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু কোনো কারণে যদি সেই মূল দলিলটি হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়, তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আবেদনের মাধ্যমে দলিলের ‘সার্টিফাইড কপি’ বা ‘নকল’ সংগ্রহ করা সম্ভব। সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করলে খুব সহজেই এই গুরুত্বপূর্ণ দলিলটি হাতে পাওয়া যায়।

দলিল তোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য

সার্টিফাইড কপির আবেদন করার সময় যত বেশি তথ্য প্রদান করা সম্ভব, দলিল পাওয়ার সম্ভাবনা তত বাড়ে। সাধারণত যেসব তথ্য প্রয়োজন হয়:

  • দলিল নম্বর: এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দলিল নম্বর জানা থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়।

  • নিবন্ধনের সাল: কোন সালে দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নথিভুক্ত হয়েছে, তা জানা থাকলে দ্রুত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।

  • সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম: যে অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে, আবেদন সেখানেই করতে হবে।

  • অন্যান্য তথ্য: দলিলদাতা বা দলিলগ্রহীতার নাম, মৌজার নাম, দাগ নম্বর এবং খতিয়ান নম্বর।

দলিল নম্বর জানা না থাকলে কী করবেন?

অনেকেই মনে করেন দলিল নম্বর ছাড়া নকল তোলা সম্ভব নয়। এটি ভুল ধারণা। যদি দলিল নম্বর জানা না থাকে, তবুও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে দলিলদাতা ও দলিলগ্রহীতার নাম, জমির মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বর এবং দলিলটি কোন সময়ের (আনুমানিক সাল) হতে পারে, এসব তথ্য দিয়ে আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর দলিলটি শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।

আবেদন ও সংগ্রহের প্রক্রিয়া

দলিলের নকল সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি বেশ সুশৃঙ্খল: ১. প্রথমে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ ও পূরণ করতে হবে। ২. আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও নথিপত্র সংযুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কপি সঙ্গে রাখা ভালো। ৩. আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর সরকার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, দলিলের ধরন ও পৃষ্ঠাসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই ফির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। ৪. যাচাই-বাছাই শেষে অফিস কর্তৃপক্ষ আপনাকে সার্টিফাইড কপি প্রদান করবে।

সতর্কতায় করণীয়

জমি সংক্রান্ত লেনদেনে কোনো ভুল বা জালিয়াতি এড়াতে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি:

  • দালাল এড়িয়ে চলুন: দালালের শরণাপন্ন না হয়ে সরাসরি অফিসের কাউন্টারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন। এতে হয়রানি ও অতিরিক্ত খরচ থেকে বাঁচা সম্ভব।

  • সরকারি রসিদ: ফি পরিশোধের সময় অবশ্যই অফিস থেকে সরকারি রসিদ বুঝে নিন।

  • তথ্য যাচাই: নকল কপি হাতে পাওয়ার পর তাতে থাকা নাম, দাগ নম্বর, খতিয়ান এবং জমির পরিমাণ মূল তথ্যের সাথে মিলিয়ে নিন। কোনো ভুল থাকলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জমি কেনাবেচা বা বড় কোনো বিনিয়োগের আগে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে তল্লাশি দিয়ে বা সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করে জমির প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে নেওয়া সবসময়ই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা অনেকাংশে কমে আসে।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য করার আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।