জমির দলিলে ‘গং’, ‘পিং’ বা ‘নিং’ মানে কী?…
জমি কেনাবেচা বা মালিকানা প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো দলিল। কিন্তু দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ভাষার চেয়ে ভিন্ন এবং
ঘরে বসে ভূমি সেবা পেতে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রবর্তন করেছে অনলাইন ভূমি সেবা। ফলে নাগরিকরা ঘরে বসে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা যেমন- অনলাইনে জমির খতিয়ান দেখা বা উঠানো, অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ, ঘরে বসে অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি।
জমি কেনাবেচা বা মালিকানা প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো দলিল। কিন্তু দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ভাষার চেয়ে ভিন্ন এবং
বাংলাদেশে জমি কেনাবেচা বা মালিকানা স্বত্বের ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ জানা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত গ্রাম বা শহর অঞ্চলে বিঘা বা কাঠার
বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় সময়ের সাথে সাথে দলিলে ব্যবহৃত পরিভাষা এবং তথ্যের ধরনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের
অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধে ভূমি অফিসে যেতে হবে না- তথ্য দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে ইউজার অনুমোদন করতে হবে- অনলাইনে ভূমি
দলিল হচ্ছে জমির মালিকানা প্রমাণের একমাত্র মাধ্যম। তাই জমির দলিল করার সময় দলিলে যেন কোন রকম ভুল ত্রুটি না থাকে
বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে ‘কবুলিয়ত’ ও ‘পাট্টা’ অত্যন্ত প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ দুটি দলিল। মূলত মুঘল সম্রাট শেরশাহের আমল থেকে এই
আপনার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি বিস্তারিত এবং জনসচেতনতামূলক নিউজ রিপোর্ট নিচে তুলে ধরা হলো: জমি কেনাবেচায় বিভ্রান্তি এড়াতে
দেশে ডিজিটাল ভূমি সেবার আড়ালে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক বা একাধিক সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সাধারণ নাগরিকদের প্রতারিত করতে তারা সরকারি
জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে নামজারি বা মিউটেশন একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া। বর্তমানে বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় ই-নামজারি (e-Mutation) সিস্টেমের মাধ্যমে এই সেবাটি