ইভ্যালি সর্বশেষ নিউজ ২০২৬ । গ্রাহকদের টাকা পরিশোধ নিয়ে নতুন ঘোষণা ইভ্যালির
২০২৬ সাল নাগাদ ইভ্যালির গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া এবং বর্তমান অবস্থা নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
১. গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা ফেরত
২০২৬ সালের মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, ইভ্যালির যে টাকাগুলো বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়েতে (যেমন: নগদ, এসএসএল কমার্স) আটকে ছিল, সেগুলো ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়েছে।
নগদ-এর আপডেট: ‘নগদ’ ওয়ালেটে ইভ্যালির প্রায় ১৭.৬৯ কোটি টাকা আটকে ছিল। এর মধ্যে ১২.৮৩ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ২৪,৬৩০ জন গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪.৮৬ কোটি টাকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরত দেওয়ার অপেক্ষায় আছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তদারকি: এই পুরো রিফান্ড প্রক্রিয়াটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স সেলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হচ্ছে।
২. ইভ্যালির বর্তমান ব্যবসায়িক অবস্থা
ইভ্যালি বর্তমানে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ (পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ) পদ্ধতিতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। সিইও মোহাম্মদ রাসেলের বক্তব্য অনুযায়ী, ইভ্যালি এখন প্রতিটি অর্ডারে সামান্য মুনাফা রেখে ব্যবসা করছে এবং সেই লভ্যাংশ থেকে পুরোনো দেনা পরিশোধের পরিকল্পনা করছে।
৩. নতুন ঘোষণা ও প্রতিশ্রুতি
পুরোনো দেনা পরিশোধ: মোহাম্মদ রাসেল অনলাইনে বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকার পাশাপাশি যাদের চেক বা অন্যান্য মাধ্যমে পাওনা রয়েছে, তাদের টাকাও পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়া হবে।
চেকের টাকা: মে ২০২৬ থেকে বাৎসরিক লভ্যাংশ ব্যবহার করে পুরোনো চেকের বকেয়া মেটানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল।
৪. আইনি পরিস্থিতি
ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল এবং শামীমা নাসরিন বিভিন্ন মামলার সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে একটি প্রতারণা মামলায় তাদের ১৫ মাসের কারাদণ্ড হওয়ার খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তবে তারা জামিনে থেকে কোম্পানি পরিচালনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সারকথা: আপনি যদি এমন গ্রাহক হন যার টাকা গেটওয়েতে আটকে আছে, তবে আপনার ব্যবহৃত পেমেন্ট গেটওয়ে (নগদ বা অন্যান্য) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর রাখুন। আর যদি আপনার পাওনা সরাসরি ইভ্যালির কাছে থাকে (যেমন চেক), তবে সেটির সমাধান পেতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।

