খেজুরের দাম ২০২৬ । সরকার বেধে দেওয়া বিভিন্ন প্রকার খেজুরের দাম কত?
২০২৬ সালের রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার আমদানিকৃত খেজুরের শুল্ক কমিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং টিসিবি (TCB) সাধারণ মানের খেজুরের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে বাজারে উন্নত মানের এবং আমদানিকৃত বিভিন্ন প্রকার খেজুরের দাম মানের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।
সরকার নির্ধারিত এবং বর্তমান বাজারের সম্ভাব্য দামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. সরকার ও টিসিবি নির্ধারিত দাম
সরকার সাধারণত সাধারণ মানের খেজুরের জন্য দাম নির্ধারণ করে দেয় যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে।
টিসিবি (TCB) নির্ধারিত দাম: টিসিবি ফ্যামিলি কার্ডধারীদের জন্য আধা কেজি খেজুরের দাম নির্ধারণ করেছে ১৬০ টাকা (অর্থাৎ প্রতি কেজি ৩২০ টাকা)।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত দাম: অতি সাধারণ মানের বা “বাংলা খেজুরের” জন্য কেজি প্রতি দাম ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা নির্ধারণের নির্দেশনা রয়েছে (তবে খুচরা বাজারে এটি মানভেদে কিছুটা বেশি হতে পারে)।
২. বাজারে বিভিন্ন প্রকার খেজুরের দাম (২০২৬)
বর্তমানে ঢাকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিভিন্ন জনপ্রিয় খেজুরের দামের একটি চিত্র নিচে দেওয়া হলো:
| খেজুরের নাম | খুচরা দাম (কেজি প্রতি আনুমানিক) |
| সাধারণ (বস্তা/বাংলা) খেজুর | ২২০ – ২৪০ টাকা |
| জাহিদি খেজুর | ২৫০ – ৩০০ টাকা |
| দাবাস খেজুর | ৫৫০ – ৬০০ টাকা |
| বরই খেজুর | ৪৮০ – ৬৫০ টাকা |
| কালমি খেজুর | ৭০০ – ৭৫০ টাকা |
| সুক্কারি খেজুর | ৮০০ – ৮৫০ টাকা |
| মাবরুম খেজুর | ৮৫০ – ১২০০ টাকা |
| আজওয়া খেজুর | ৯০০ – ১৭০০ টাকা |
| মরিয়ম খেজুর | ১১০০ – ১৪০০ টাকা |
| মেডজুল খেজুর | ১২০০ – ১৮০০ টাকা |
কেন দামের এই পার্থক্য?
মান ও আকার: একই জাতের খেজুরের আকার বড় হলে বা প্রিমিয়াম গ্রেডের হলে দাম বেড়ে যায়।
আমদানি শুল্ক: সরকার শুল্ক ১৫% থেকে কমিয়ে আনলেও আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহণ খরচের কারণে স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব খুব একটা পড়েনি।
পাইকারি বনাম খুচরা: ঢাকার বাদামতলী বা কারওয়ান বাজারের পাইকারি দামের চেয়ে আপনার এলাকার স্থানীয় খুচরা দোকানে দাম কিছুটা বেশি হতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: রমজান এগিয়ে আসার সাথে সাথে চাহিদার কারণে দামে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। পাইকারি বাজার থেকে কার্টন হিসেবে কিনলে দাম অনেকটা কম পাওয়া সম্ভব।

