নির্বাচনে এআই-এর অপব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন
আগামী নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো রোধে কঠোর বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি কমিশনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক এক প্রচারণায় জানানো হয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রযুক্তির অপব্যবহার ও ‘ডিপফেক’ নিয়ে সতর্কতা
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে মূল স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে— “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ভুল প্রচারণা নয়, প্রযুক্তির অপব্যবহারে অরাজকতা হয়।” কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ছবি, ভিডিও, অডিও কিংবা অতি-বাস্তবসম্মত ‘ডিপফেক’ (Deepfake) কন্টেন্ট ছড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
বিজ্ঞপ্তিতে যেসব বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
-
ভুয়া ভিডিও ও অডিও: এআই দিয়ে কারো কণ্ঠস্বর বা ভিডিও নকল করে বিভ্রান্তি ছড়ানো যাবে না।
-
ডিপফেক প্রযুক্তি: কারো অবয়ব বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
-
ভুল তথ্য ও গুজব: প্রযুক্তির সহায়তায় কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বচ্ছতার আহ্বান
নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রযুক্তি হওয়া উচিত সত্যের বাহন। “প্রযুক্তি হোক সত্যের, প্রচারণা হোক স্বচ্ছতার”—এই লক্ষ্য নিয়ে ভোটার ও প্রার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত নির্বাচনের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কৃত্রিম ও মিথ্যা প্রচারণা রুখতেই এই আগাম সতর্কতা।
কমিশন আরও জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং কোনো অভিযোগ থাকলে নাগরিকরা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.ecs.gov.bd) ভিজিট করতে পারবেন।


