বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলার নিয়ম এবং কি ভাবে মার্চেন্ট একাউন্ট পেমেন্ট করবেন?

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলার নিয়ম

 

 

১. ফ্রি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলার নিয়ম 

বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলার নিয়মগুলো সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে সম্পন্ন করতে হয়

 

১. বিকাশ মার্চেন্ট এপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন

প্রথমে আপনাকে বিকাশ মার্চেন্ট অ্যাপ্লিকেশনটি আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করতে হবে। আপনি প্লেটফর্মের (অ্যাপস্টোর বা গুগল প্লেস্টোর) মাধ্যমে এটি ডাউনলোড করতে পারেন।

 

২.অ্যাপ্লিকেশনে সাইন আপ করুন

অ্যাপলিকেশনটি ইনস্টল করার পরে, আপনাকে একটি সাইন আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায়, আপনাকে আপনার নাম, ব্যবসায়িক তথ্য, যেমন- ট্রেড লাইসেন্স নম্বর, ব্যবসায়ের ঠিকানা, ইমেইল এড্রেস, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি প্রদান করতে হবে।

 

৩. আপনার তথ্য যাচাই করুন

সাইন আপ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে, বিকাশ মার্চেন্ট টীম আপনার প্রদত্ত তথ্য যাচাই করার জন্য আপনাকে যোগাযোগ করবে। অত্র সময়ে, আপনার প্রদত্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য আপনার কাছে কিছু অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া হতে পারে, যেমনঃ আপনার ব্যবসার স্থায়ী অবস্থান এবং কিছু প্রমাণপত্র যেমন -ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসায়িক এন্টিটির রেজিস্ট্রেশন পত্র ইত্যাদি।

 

৪. একাউন্ট প্রকাশ করুন

আপনার সমস্ত তথ্য যাচাই হওয়ার পরে, বিকাশ মার্চেন্ট টীম আপনার মার্চেন্ট একাউন্টটি প্রকাশ করবে। এই অ্যাকাউন্টে আপনি বিকাশ মার্চেন্ট পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ পাবেন।

 

২.বিকাশ মার্চেন্ট খোলার করার পর

 

১. একাউন্ট খুললে কমিশন পাবেন 100 টাকা+

২. সিম খুলা থাকলেও ড্যাশবোর্ড এর মাধ্যমে ‍সবকিছু করতে পারবেন

৩. মাসে 5000 হজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশ আউট চার্জ ফ্রি।

৩. যত টাকা উঠান হাজারে 14.90 টাকা ক্যাশআউট চার্জ .

৪. 50 টা বিদ্যুৎ বিল ফ্রি + প্রতি বিলে কমিশন।

৫. পেমেন্ট লিংক এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।

৬. 1 লাখ টাকা পর্যন্ত সেন্ডমানি চার্জ 5 টাকা ।

 

৩.যে ভাবে মার্চেন্ট একাউন্ট পেমেন্ট করবো

বিকাশ মার্চেন্ট পেমেন্ট নিবন্ধন

বিকাশ মার্চেন্ট পেমেন্ট হলো একটি ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম, যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা তাদের গ্রাহকদের প্রোডাক্ট বা সেবা বিক্রয় করতে পারেন। এটি বিকাশ ব্যবহারকারীদের বাংলাদেশের বিকাশ অ্যাপ বা ওয়েবসাইট মাধ্যমে পেমেন্ট করতে দেয়।

বিকাশ মার্চেন্ট পেমেন্টের নিম্নলিখিত নিয়মগুলো মেনে চলতে হয়

১. মার্চেন্ট হতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একটি বিকাশ অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে মার্চেন্ট পেমেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন।

২. একাউন্ট খুলার পরে, মার্চেন্ট একাউন্টের জন্য সংগৃহীত সকল কাগজপত্র (যেমনঃ ব্যবসায়িক নিবন্ধন পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসায়িক এন্টিটির রেজিস্ট্রেশন পত্র ইত্যাদি) প্রদান করতে হয়।

৩. বিকাশ প্রদান করে মার্চেন্ট একাউন্টটি প্রকাশ করে দেয়।

৪. মার্চেন্ট একাউন্টে পূর্বের সাবস্ক্রিপশন মডেল অনুযায়ী মার্চেন্ট পেমেন্ট ফি প্রদান করতে হয়।

৫. মার্চেন্ট একাউন্টে লগইন করার পরে মার্চেন্ট পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন টুলস পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে মার্চেন্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে পেমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

৬. মার্চেন্ট পেমেন্ট একাউন্ট ব্যবহার করে ব্যবসায়িক পেমেন্ট গ্রহণ করার জন্য ব্যবসায়িক পেমেন্ট অপশনগুলি মার্চেন্ট এপ্লিকেশনে একটি ইনটিগ্রেট করতে হয়।

৭. মার্চেন্ট পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন মাধ্যমে গ্রাহকদের পেমেন্ট গ্রহণ করার জন্য মার্চেন্ট এপ্লিকেশনে পেমেন্ট বাটন বা অপশন সরবরাহ করতে হয়।

৮. বিকাশ মার্চেন্ট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে মার্চেন্ট গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা পাঠাতে এবং নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা প্রাপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *