হারিয়ে গেছে জমির দলিল? যেভাবে তুলবেন সার্টিফাইড কপি…
জমি কেনাবেচা, ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ কিংবা আদালতে মালিকানার প্রমাণ হিসেবে জমির মূল দলিলের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু কোনো কারণে যদি
ঘরে বসে ভূমি সেবা পেতে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রবর্তন করেছে অনলাইন ভূমি সেবা। ফলে নাগরিকরা ঘরে বসে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা যেমন- অনলাইনে জমির খতিয়ান দেখা বা উঠানো, অনলাইনে জমির খাজনা পরিশোধ, ঘরে বসে অনলাইনে ভূমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি।
জমি কেনাবেচা, ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ কিংবা আদালতে মালিকানার প্রমাণ হিসেবে জমির মূল দলিলের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু কোনো কারণে যদি
জমি সংক্রান্ত বিরোধ বা ভুল তথ্যের কারণে আমাদের অনেকেরই নাজেহাল হতে হয়। বিশেষ করে খতিয়ান বা রেকর্ড তৈরির সময় ভুলবশত
“ভূমি অফিসে ঢুকেই কেন মানুষ পকেট চেক করে?”—প্রশ্নটি আপাতদৃষ্টিতে কৌতুকপূর্ণ মনে হলেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে দেশের কোটি মানুষের এক
জমি ক্রয়, বিক্রয়, নামজারি কিংবা ব্যাংক ঋণ গ্রহণ—জমি সংক্রান্ত প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে একটি তথ্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে,
জমি বা যেকোনো স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দলিল সম্পাদন (Execution) এবং দলিল রেজিস্ট্রেশন (Registration)—এই দুটি ধাপই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইনগত
বাংলাদেশে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, মামলা-মোকদ্দমা ও মালিকানা জটিলতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্রের অসঙ্গতি এবং দখল-সীমানা নিয়ে বিরোধ।
দেশের ভূমি সেবা ডিজিটাল ও সহজীকরণ এবং নাগরিক ভোগান্তি ও জালিয়াতি দূরীকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত আবেদন ও স্মারকলিপি
মুসলিম আইনে জমি বা সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ‘হেবা’ বা সাধারণ দান একটি প্রচলিত শব্দ। তবে এর বাইরেও একটি বিশেষ আইনি
জমি কেনাবেচা বা মালিকানা প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো দলিল। কিন্তু দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ভাষার চেয়ে ভিন্ন এবং