কিভাবে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে হয়? জাতীয় পরিচয়পত্র Correction or NID Songsodhon করা এখন খুবই সহজ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। বিভিন্ন ধরণের ভুলের জন্য কি কি প্রমানপত্র দেয়া লাগবে এবং কিভাবে আপনার কম্পিউটার বা আপনার মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফরম পূরণ করবেন তা দেখিয়ে দিব। চলুন শুরু করা যাক। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ২০২২ । আগামী জানুয়ারি মাসে বিনা খরচে সংশোধন করা যাবে

আমাদের প্রায় সবারই জাতীয় পরিচয়পত্রে বিভিন্ন ধরণের ভুল রয়েছে। কারো নামের ভুল, পিতা মাতার নামের ভুল, জন্মতারিখ, ঠিকানার ভুল ইত্যাদি। কিন্তু অনেকেই জানেন না, অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। ঘরে বসেই যথাযথ প্রমাণসহ অনলাইনে আবেদন করে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে এই ভুলগুলো সংশোধন করতে পারবেন। ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন বা NID সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং প্রশ্নের উত্তর পেতে এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন- NID Help Group

এনআইডি সংশোধনের সতর্ক বার্তা- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি মাধ্যমে অসংখ্য প্রতারক এনআইডি সংশোধনের নামে জাল বিছিয়ে রেখেছে। তাই কোনভাবেই কারও সাথে আর্থিক লেনদেনে যাবেন না। যদি আপত্তিকর কোন সংশোধন না হয় অথবা অবৈধ কোন সংশোধন না হয় তবে কারও কাছে যেতে হবে না। যুক্তসঙ্গত ডকুমেন্ট যুক্ত করে অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করে অপেক্ষা করুন কাঙ্খিত সংশোধন হয়ে যাবে। হয়তো একটু সময় লাগবে কিন্তু উপযুক্ত ডকুমেন্ট থাকলে কোন চিন্তা করতে হবে না। আমার তো বন্ধের দিতে মাত্র ৫ মিনিটে ইসি রিপ্লাই দিয়েছিল এবং আবেদন অনুমোদন হয়েছিল। এনআইডি কার্ড সংশোধনে উপযুক্ত ডকুমেন্ট বা কাগজ দাখিল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। NID বা জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বাক্ষর পরিবর্তন করার নিয়ম ২০২২

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে উপযুক্ত ডকুমেন্ট দাখিল করুন / যে সংশোধনের জন্য যে ডকুমেন্ট লাগবে তা ভাল করে জেনে নিবেন।

মেজর সংশোধনের জন্য ম্যানুয়াল আবেদন করুন। নামের বানান পুরোটা সংশোধনের জন্য অবশ্যই স্টং ডকুমেন্ট পেশ করতে হবে। গ্রহণযোগ্যতা ব্যতীত ডকুমেন্ট দাখিল করা যাবে। মনে রাখবেন একবার কুয়েরি আসলে আরও ৩-৪ মাস লেগে যেতে পারে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে, ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন, ভোটার আইডি কার্ড বাতিল করার নিয়ম, ভোটার আইডি কার্ড নাম সংশোধন ফরম, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি, ভোটার কার্ড সংশোধন অ্যাপস, আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে,

ইসি: একবার কুয়েরি চেয়ে মেসেজ দিয়ে পুনরায় আপনার আবেদন যাচাই করতে আসতে ৩-৪ মাস লেগে যেতে পারে তাই অস্থির না হয়ে ধৈর্য্য ধরুন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার নিয়ম । মাত্র ৬টি ধাপে এনআইডি সংশোধন করুন

  • ধাপ ১: ডকুমেন্টসগুলোর স্ক্যান/ ছবি নেয়া
  • ধাপ ২: NID ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন
  • ধাপ ৩: তথ্য সংশোধন
  • ধাপ ৪: ফি প্রদান
  • ধাপ ৫: প্রমাণপত্র / ডকুমেন্ট আপলোড ও আবেদন সাবমিট
  • ধাপ ৬: জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ডাউনলোড

জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের দিক বা ফ্রন্ট সাইটের তথ্য সংশোধনের জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগে?

নাম বা পিতার নাম বা মাতার নাম ও জন্মতারিখ  ইত্যাদি তথ্যগুলোর যে কোন একটি বা সবগুলো একসাথে পরিবর্তনের জন্য একই পরিমাণ ফি দিতে হবে। নাম সংশোধনের জন্য বেশি গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হচ্ছে এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদ (SSC and HSC Certificate),  যদি কারো এসএসসি সনদ না থাকে এক্ষেত্রে নিম্মোক্ত ডকুমেন্ট গুলোর যে কোন ১ টি বা ২ টি বা সবগুলো সাবমিট করতে পারেন। নাম সংশোধনের জন্য যে প্রমাণপত্রগুলো প্রয়োজন- (যেকোন ১টি)
এসএসসি বা এইচএসসি অথবা সমমানের সনদ অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স এমপিওসিট/সার্ভিস বহি অথবা বিবাহের কাবিন নামা। আইডি কার্ড চেক করুন অনলাইনে- nid card online check national id card bd

পিতা ও মাতার নাম সংশোধনের জন্য এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদ (SSC and HSC Certificate) এবং একই সাথে পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের কপি দাখিল করতে হয়। পিতা-মাতার নাম সংশোধনের জন্য যে প্রমাণপত্রগুলো প্রয়োজন- এসএসসি বা এইচএসসি অথবা সমমানের সনদ, অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, অথবা পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যে কোন ১ টি  পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন চাকুরীজীবিদের ক্ষেত্রে অফিস প্রধানের প্রত্যয়ন অথবা পিতার সকল সন্তানদের জন্মের ক্রম অনুযায়ী নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর উল্লেখ পূর্বক ওয়ারিশন সনদ/প্রত্যয়নপত্র অথবা ভাই-বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র।

ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য যে ডকুমেন্ট লাগবে

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন করার নিয়ম- ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হচ্ছে এসএসসি (SSC Certificate)। যদি কারো এসএসসি সনদ না থাকে এক্ষেত্রে নিম্মোক্ত ডকুমেন্ট গুলোর যে কোন ১ টি বা ২ টি বা সবগুলো সাবমিট করতে পারেন। ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন করতে কি কি লাগে (যেকোন ২টি) – এসএসসি বা এইচএসসি অথবা সমমানের সনদ অথবা  পাসপোর্ট অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন
ড্রাইভিং লাইসেন্স। আবেদন ফি- ২৩০ টাকা (ভ্যাটসহ) পড়বে।

NID Back Side বা জাতীয় পরিচয়পত্রের অন্যান্য তথ্যের মধ্যে রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, মোবাইল নম্বর, ধর্ম, ঠিকানা ইত্যাদি সংশোধন করতে আবেদন ফি- ১১৫ টাকা (ভ্যাটসহ) গুনতে হবে। যেমন- ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন- অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করা যায়না। এ জন্য আপনাকে একটি ঠিকানা পরিবর্তন ফরম পূরণ করে আপনার সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি কত ২০২২

  • সংশোধনের ধরণ ফি’র পরিমাণ
  • এনআইডির তথ্য সংশোধন – NID Info Correction ২৩০ টাকা
  • অন্যান্য তথ্য সংশোধন – Other Info Correction ১১৫ টাকা
  • উভয় তথ্য সংশোধন – Both Info Correction ৩৪৫ টাকা
  • রিইস্যু – Duplicate Regular ৩৪৫ টাকা
  • রিইস্যু জরুরী – Duplicate Urgent ৫৭৫ টাকা

আসুন এবার জানি, কিভাবে কম্পিউটার বা মোবাইল দিয়ে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের আবেদন করবেন। অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন করার নিয়ম- ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন অনলাইন আবেদন করার জন্য প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ওয়েবসাইটে আপনার NID নম্বর, জন্মতারিখ ও ঠিকানা দিয়ে আপনার একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করবেন। এরপর, আপনার একাউন্টে লগ ইন করে, আপনার প্রোফাইল থেকে ভুল তথ্য গুলো এডিট করবেন। ভুল তথ্য সংশোধনের ধরণ অনুযায়ী NID Service Fee প্রদান করবেন। সবশেষে আপনার সঠিক তথ্যের প্রমাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বা কাগজপত্রাদি স্ক্যান করে আপলোড করবেন এবং আবেদন সাবমিট করবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ওয়েবসাইটে একাউন্ট রেজিষ্টার করার নিয়ম ২০২২

উপরে বর্ণিত ঐ যে ৬টি ধাপ সেগুলো অনুসরণ করে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন প্রক্রিয়াটি দেখাবে এখন। তো চলুন জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য নিম্মোক্ত ধাপগুলো আপনাকে অনুসরণ করি।

ধাপ ১। ডকুমেন্টসগুলোর স্ক্যান/ ছবি মোবাইল বা কম্পিউটারে নেয়া – NID সংশোধনের আবেদন করার পূর্বে আপনার সংশোধনের ধরন অনুযায়ী, প্রমাণপত্রগুলো স্ক্যান করে সেইভ করে নিন।। কম্পিউটার ও স্ক্যানার থাকলে খুবই ভাল। না থাকলে মোবাইলে ভাল আলোতে, সোজাসুজি ভাবে ছবি তুলে নিন। ছবিটি সুন্দরভাবে ক্রপ করে নিন এবং প্রয়োজন হলে Brightness ও Contrast বাড়িয়ে নিন। ডকুমেন্টের স্ক্যানড কপি বা ছবিগুলো আপনার কম্পিউটারের কোন নির্দিষ্ট ফোল্ডার বা মোবাইলের গ্যালারিতে রাখুন। New Voter Papers for Probashi । প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি ২০২২

ধাপ ২। NID ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া- এবার কম্পিউটার থেকে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র উইং ওয়েবসাইটে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের একাউন্টে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া আগে সহজ ছিল, বর্তমানে ফেইস ভেরিফিকেশন করতে হয়। ফেইস ভেরিফিকেশনের জন্য আপনাকে নির্বাচন কমিশনের মোবাইল এপ ইনস্টল করতে হবে। নিচের লিংকে প্রক্রিয়াটি দেখতে পারেন।

ধাপ ৩। তথ্য সংশোধন করবেন যেভাবে- সফলভাবে রেজিষ্ট্রেশন করা হলে, আপনি NID একাউন্টে লগ ইন করবেন। তখন, আপনার সামনে নিচের মত একটি পেইজ আসবে। এখানে ৩ ধরণের তথ্য রয়েছে, ব্যক্তিগত তথ্য, অন্যান্য তথ্য ও ঠিকানা। ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন করার জন্য, উপরের ডান পাশে নীল রংয়ের এডিট বাটনে ক্লিক করবেন। তারপর নিচের মত পেইজ আসবে। এখানে আপনি তথ্যগুলো পুনরায় টাইপ করে এডিট করার অপশন পাবেন। আপনি যে তথ্যটি সংশোধন করতে চান, তার বাম পাশের টিক অপশনে ক্লিক করুন। এভাবে আপনার ভুল তথ্যগুলো প্রমাণপত্রের সাথে মিল রেখে সঠিকভাবে টাইপ করুন। তারপর, পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। এখানে আপনার সংশোধন করা তথ্যের পূর্বরুপ ও সংশোধিত রুপ দেখতে পাবেন। সব ঠিক থাকলে আবারও পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৪। মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ বা রকেটে ফি প্রদান বা পরিশোধ করুন- এখন, আপনাকে আপনার ভুল তথ্যের ধরণ অনুযায়ী ফি প্রদান করতে হবে। মনে রাখবেন, আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের এতক্ষণ যা করেছেন তা ক্লোজ করবেন না। ফি প্রদান করেই আপনাকে আবার আবেদনের বাকি কাজ শেষ করতে হবে। আপনি, রকেট, বিকাশ, ওকে ওয়ালেট থেকে খুব সহজেই NID Fee পরিশোধ করতে পারবেন। তথ্য সংশোধনের জন্য প্রথমবার আবেদনের ক্ষেত্রে ২০০ টাকা ফি এবং ১৫% ভ্যাট ৩০ টাকা, মোট ২৩০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। যেহেতু বিকাশ অধিক ব্যবহৃত, হয়তো আপনার ও বিকাশ একাউন্ট রয়েছে। দেখুন কিভাবে বিকাশ হতে জাতীয় পরিচয়পত্র ফি পরিশোধ করবেন।

বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID Fee) প্রদান করার জন্য বিকাশ এ্যাপ থেকে আপনার বিকাশ একাউন্টে লগইন করুন। এবং নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

পে বিল অপশনে যান > সরকারি ফি অপশনে ক্লিক করুন এবং NID Service অপশনটি বাছাই করুন> আপনার আইডি নম্বরটি ইংরেজিতে লিখুন> আপনার আবেদনের ধরণ বাছাই করুন> বিকাশে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফি পরিশোধ> বিকাশে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফি পরিশোধ> এরপর আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নম্বর দিয়ে ফি পরিশোধ করুন। ফি পরিশোধ করা হলে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্রের ওয়েবসাইটে আবার ফিরে জান এবং প্রমাণপত্রসমূহ আপলোড করে আবেদনটি সাবমিট করুন।

ধাপ ৫।  প্রমাণপত্র / ডকুমেন্ট আপলোড ও আবেদন সাবমিট করত হবে- আপনাকে ১ম ধাপেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট গুলো স্ক্যান বা ছবি তুলে একটি ফোল্ডারে রাখার জন্য বলেছিলাম। এখন প্রয়োজন মোতাবেক আপনার ডকুমেন্ট গুলো আপলোড করে আবেদন সাবমিট করতে পারবেন।

ধাপ ৬ ।  জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ডাউনলোড করুন- আবেদন সাবমিট করার পর, ড্যাশবোর্ডে ফিরে আসুন। উপরের দিকে আবেদনটি ডাউনলোড করার একটি লিংক দেখতে পাবেন। লিংকে ক্লিক করে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ডাউনলোড করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন। Documents For NID Correction । ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে কিছু জটিলতা হতে পারে যদি আপনার কাছে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র না থাকে কারণ প্রমাণপত্র ছাড়া ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যাবে না। তাছাড়া, প্রমাণপত্র হিসেবে দেওয়া আপনার ডকুমেন্টগুলোতেও শুদ্ধভাবে আপনার তথ্য থাকতে হবে। যেমন ধরুন, আপনার এনআইডিতে নাম- মোঃ শফিকুল রহমান কিন্তু আপনি চান আপনার শুদ্ধ নাম মোঃ শফিকুল ইসলাম। এক্ষেত্রে আপনার প্রমাণ হিসেবে দেওয়া কাগজপত্রে অবশ্যই- মোঃ শফিকুল ইসলাম থাকতে হবে। যদি সেখানে, শফিকুল ইসলাম বা মোঃ শফিকুল থাকে সেক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি মূল নাম ঠিক থাকলে আপনি সকল সরকারী কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে?

অফিসিয়ালভাবে বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সর্বোচ্চ সময় ৪৫ দিন লাগে। তবে এতটা সময় অনেকের ক্ষেত্রেই লাগে না। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, অনলাইনে উপযুক্ত প্রমাণপত্র আপলোড করে সঠিকভাবে আবেদন করার পর ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই আবেদন অনুমোদন হয়ে যায়। কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোন ভেরিফিকেশনের জন্য হয়তো আরো ৫-১০ দিন দেরি হতে পারে।

NID Print Mistake Correction Form 1 pdf । জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ২০২২