রোগ প্রতিরোধ ও তারুণ্য ধরে রাখতে ‘অটোফেজি’ :…
আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ বা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে উপবাস করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রধান লক্ষ্য হলো রক্তে শর্করার মাত্রা বা সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এর জন্য কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন শাকসবজি, আস্ত শস্য, এবং প্রোটিন গ্রহণ করা প্রয়োজন। চিনিযুক্ত পানীয়, সাদা চাল, ময়দা, প্রসেসড খাবার এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে।
আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’ বা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে উপবাস করার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ
ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থতায় কেবল চিনি বা কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রণই যথেষ্ট নয়; বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখতে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন
ডায়াবেটিস মানেই কেবল রক্তে শর্করার বৃদ্ধি নয়, বরং এটি শরীরের কোষীয় স্তরে এক জটিল বিশৃঙ্খলার নাম। সাম্প্রতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও
সাধারণত বাসায় ব্যবহৃত গ্লুকোমিটার এবং প্যাথলজি ল্যাবের ফলাফলে কিছুটা তারতম্য থাকে। আপনার ক্ষেত্রে বাসার মেশিনে ফাস্টিং (খালি পেটে) ৮.৫ আসলেও
ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অধিকাংশ মানুষের প্রথম পদক্ষেপ হয় চায়ে চিনি বন্ধ করা বা মিষ্টি থেকে দূরে থাকা। কিন্তু অনেকেরই
বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সঠিক জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে একে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে