NU Admission Cancelation Process । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিলের নিয়ম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় আপনাকে এসএসসি এবং এইচ.এসসি মূল সনদ জমা রেখেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে হয় – জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বাতিলের নিয়ম

কলেজের ভর্তি বাতিল করতে কত টাকা লাগে? ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহ শিক্ষার্থী ভর্তিকালে তাদের কাছ থেকে সর্ব্বোচ্চ ০৩ (তিন) মাসের অগ্রিম বেতন গ্রহণ করতে পারবেন। ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করতে ইচ্ছুক হলে সংশ্লিষ্ট কলেজ ঐ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভর্তি বাতিল আবেদনের তারিখ/মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতনসহ অতিরিক্ত ০১ (এক) মাসের বেতন গ্রহণ করে শিক্ষার্থীর জমাকৃত ডকুমেন্টস (মূলসনদ ও নম্বরপত্র) ফেরতসহ ভর্তি বাতিলের অনুমতি প্রদান করবেন।

বকেয়া সব বেতন ভাতা কি পরিশোধ করতে হবে? হ্যাঁ। করতে হবে। তবে কোন কলেজ উক্ত সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত বেতন/খরচাদি দাবি করলে তা কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, এর ব্যত্যয় ঘটলে সে বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তাই আপনার সাথে কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যায় করলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ করুন।

কলেজে ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগে? অনার্স চান্স প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে যেসব কাগজপত্র লাগবে। অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি। প্রাথমিক আবেদন ফরম (আবেদনের সময় কলেজ থেকে যে অংশ দেওয়া হয়েছে)। পাসপোর্ট ও স্ট্যাম্প সাইজের ছবি। এসএসসি ও এইচএসসি এর মূল সনদপত্র/ প্রশংসা পত্র। এসএসসি ও এইচএসসি মূল নম্বরপত্র। এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড। জাতীয় পরিচয় পত্র, জন্ম সনদ, নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। ভর্তির জন্য পরিমাণ মত টাকা। কলেজভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রথম বর্ষ পরীক্ষার দেওয়ার পর সকল কাগজপত্র ফেরত পাওয়া যায়।

সরকারি কলেজের ভর্তি কি যখন তখন বাতিল করা যায়? ভর্তি বাতিলের ক্ষেত্রে বকেয়া বা ডিউ ফি ও বেতনাদি পরিশোধ করতে হয়

অনার্স ভর্তির ক্ষেত্রে যেসব কাগজপত্র কলেজ নিবে সেগুলো কাগজপত্রের ৩-৪ কপি করে ফটোকপি করে রাখবে৷ বিভিন্ন কাগজপত্রের ফটোকপি জমা নিবে। ছাত্র-ছাত্রীকে ভর্তির সময় এইচএসসি পাসের মূল নম্বর ও এইচএসসি পাশের মূল নম্বর পত্র অবশ্যই জমা রাখতে হবে। ছাত্র-ছাত্রী বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলে ভর্তির ফরম অনলাইন থেকে ওঠানাের সময় বিষয় পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে (Yes) আর ইচ্ছুক না হলে (No) করতে হবে। কলেজের আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ও মেধার ভিত্তিতে পছন্দের উর্দ্বক্রম অনুসারে বিষয় পরিবর্তনের ফলাফল ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীর বিষয় পরিবর্তন হলে ওয়েব সাইট হতে সেই একই প্রক্রিয়ায় বিষয় পরিবর্তনের ফরম সংগ্রহ করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে কলেজে পরিবর্তিত বিষয়ে ভর্তি হতে হবে।

Caption: Check Source of information

অনার্সের শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে কত টাকা লাগতে পারে?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তির রেজিস্ট্রেশন ফি মূলত ৪৮৫/- (চারশত পঁচাশি) টাকা। কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ ৪৮৫ টাকা সহ কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ফি আদায় করে থাকে। ভর্তির জন্য সকল কলেজে একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে বিভাগের সেমিনার ফি, শিক্ষা সফর ফি, বেতন সহ বিভিন্ন ফি আদায় করা হয়। অনার্স ভর্তির ক্ষেত্রে সরকারি কলেজে ভর্তি ফি তেমন বেশি না হলেও বেসরকারি কলেজে ভর্তি হতে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। অনার্স ভর্তির জন্য সরকারি কলেজে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। অন্যদিকে বেসরকারি কলেজে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়ে থাকে। কলেজ ভেদে এর পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কলেজের ওয়েবসাইট অথবা নোটিশ বোর্ড দেখতে হবে৷

অনলাইনে কি ভর্তি বাতিলের আবেদন করা যায়?

না। আপনাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ভর্তি বাতিল করার আবেদন করতে হবে। প্রথমত সকল পাওনা পরিশোধ করা আবশ্যক। এরপর কয়েকদিনের মধ্যে ভর্তি বাতিল লেটার আসবে সেটা নিয়ে কলেজে দেখালেই আগের কাগজপত্র দিয়ে দিবে । এটা শুধুমাত্র নমুনা ফরম আপনারা আরও গুছিয়ে লিখবেন। তারপর অধ্যক্ষ স্যারের থেকে স্বাক্ষর নিয়ে স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *