কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি? কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি ভাবে চিনবেন?

কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল কি ভাবে চিনবেন 

 

 

১. পাট্টা ও কবুলিয়ত বলতে কী বােঝ?

শেরশাহ ভূমি সংস্কারের ক্ষেত্রে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে ছিলেন, সেগুলির মধ্যে উল্লেখযােগ্য হল কবুলিয়ত ও পাট্টা প্রবর্তন।

২. পাট্টা ও কবুলিয়ত চিনির উপায় 

 

কবুলিয়ত

কৃষক তার জমি থেকে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব নিয়মিত মিটিয়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে একটি অঙ্গীকারপত্র জমা দিত একে বলা হয় কবুলিয়ত।

 

পাট্টা

জমির পরিমাণ, প্রজার নাম, স্বত্ব ও দেয় রাজস্বের উল্লেখ করে সরকার প্রজাকে একটি দলিল দিল একে বলা হয় পাট্টা।

 

৩. কবুলিয়ত ও পাট্টা দলিল এর গুরুত্ব গুরুত্ব 

 

কাবুলিয়ত ও পাট্টা, এই দুইয়ের মাধ্যমে 

১. রাষ্ট্র এবং কৃষক উভয়ের অধিকার ও স্থায়িত্ব সুরক্ষিত হয়।

২. শেরশাহ কবুলিয়ত ও পাট্টা প্রবর্তন করে রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করেন।

 

৪. ১৫২ বছরের পুরানো কবুলিয়ত দলিল।

১৮৬৯ সালের কবুলিয়ত দলিল আমরা জানি যে ১৭৯৩ তে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে রায়তদের পাট্টা দেয়া বাধ্যতামূলক ছিলো। পাট্টা দিলে রায়ত রা কবুলিয়ত দিতো। বা কবুলিয়ত দিলে পাট্টা দেয়া হতো। অনেক কস্ট করে এই ছবি কালেকশন করলাম। আশা করি সবাই আমাদের ল্যান্ড সংক্রান্ত পুরানো দলিল দেখে ভালো লাগবে।কবুলিয়ত হলো প্রজা কর্তৃক জমিদার বরাবর সম্পাদিত দলিল। জমিদার আমলে এরূপ দলিল সৃষ্টি হতো। বন্দোবস্তবিহীন কোন জমি কোন প্রজা নির্ধারিত খাজনা বা সেলামীর বিনিময়ে ভোগ করার ইচ্ছা পোষণ করলে তিনি এরূপ কবুলিয়তের মাধ্যমে জমিদারের নিকট থেকে পাট্রা দলিলে বন্দোবস্ত নিয়ে ভোগ করতে পারতেন।

 

৫. কবুলিয়তের দলিলের বৈশিষ্ট্য ছিল

 

১। এ দলিলের মাধ্যমে প্রজা বা ভোক্তার ইচ্ছা ব্যক্ত করা হতো।

২। পাট্রার খাজানার পরিমাণ নির্ধারিত থাকতো।

৩। পাট্রা ব্যতীত এই দলিল কার্যকারিতা অর্জন করতে পারত না।

 

বর্তমানে কোন সরকারি খাস জমি কোন ভূমিহীনদের নিকটে যে দলিলের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাকে কবুলিয়ত বলে। সরকার বা কালেক্টর কর্তৃক প্রদান করা এবং ভূমিহীন কর্তৃক গ্রহণ (কবুল) করাকে কবুলিয়ত বলা হয়। কবুলিয়ত দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি সম্পাদন করতে হবে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *